Image description

আজ পদত্যাগ করতে পারেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। এমন সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ডি বার্নহাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বিজয়ের পর চলমান আলোচনা ও গুঞ্জনের পর রিপোর্টে বলা হচ্ছে, স্টারমারের জন্য আর ফিরে আসার পথ নেই। কিন্তু এটি কি এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নাকি বিষয়টি এখনো অনিশ্চিত? তবে বৃটেনের সময় আজ সকালেই এ বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে। স্যার কিয়ের স্টারমার পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন কি না- সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত আজই হতে পারে। এ জন্য সব চোখ আজ ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে। একেবারে কাকডাকা ভোর থেকে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা ভিড় জমিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে। সেখান থেকে ব্রেকিং রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। হচ্ছে লাইভ স্ট্রিমিং। স্টারমারের কর্তৃত্ব ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে ১০০ জন লেবার এমপি প্রকাশ্যে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন।

 

এটি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহাম নির্বাচিত হয়ে আজ সোমবার আবার ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরছেন। গত সপ্তাহে মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে রিফর্ম ইউকে’কে পরাজিত করে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। অনেক লেবার এমপি এখন চান যে বার্নহামই শীর্ষ নেতৃত্ব গ্রহণ করুন। স্কাই নিউজ জানাচ্ছে, চারজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী, যাদের মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীও আছেন, তারা ব্যক্তিগতভাবে প্রধানমন্ত্রীকে ডাউনিং স্ট্রিট ছাড়ার একটি সময়সূচি ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর ভবিষ্যৎ নিয়ে গুঞ্জন চললেও, ১০ ডাউনিং স্ট্রিট আজ সকালেও জানিয়েছে, তার ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘কোনো নতুন আপডেট নেই’।

স্টারমার সবসময়ই প্রকাশ্যে বলেছেন যে, তিনি সম্ভাব্য যেকোনো নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবেন। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সপ্তাহান্তজুড়ে তার অবস্থান নিয়ে চিন্তাভাবনা করেছেন। ব্যবসাবিষয়ক মন্ত্রী পিটার কাইল গতকাল রোববার সবচেয়ে শক্তিশালী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে- স্টারমার হয়তো লড়াই না করে পদত্যাগ করতে পারেন। তিনি স্কাই নিউজকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজের সামনে থাকা রাজনৈতিক বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ নিয়ে চিন্তা করার সময় নিচ্ছেন।