বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে তেলের দাম। আজ সোমবার তেলের দাম ৩ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টাপাল্টি হামলা চলছে। এর মধ্যে তেহরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে লেবাননের আরও ভেতরে ইসরায়েলি সেনা অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এলো এ বৃদ্ধি।
গ্রিনউইচ মান সময় ০৯ টা ০৬ মিনিটে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ২ দশমিক ৯৩ ডলার বা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৯৪ দশমিক ০৫ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৩৬ ডলার বা ৩ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯০ দশমিক ৭২ ডলারে ওঠে। মে মাস জুড়ে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআইয়ের দাম যথাক্রমে প্রায় ১৯ শতাংশ ও ১৭ শতাংশ কমেছিল।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান শিগগিরই যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণা দিতে পারে এমন আশাকে দুর্বল করে দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, রবিবার তারা ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে। অন্যদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী সোমবার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছে তাদের মহাকাশ ইউনিট।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার বলেছেন, এপ্রিলের শুরুতে ঘোষিত যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে তিনি শিগগিরই সিদ্ধান্ত নেবেন।
এ ধরনের যেকোনো চুক্তিতে ইসরায়েলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে ইরান বারবার বলেছে, হিজবুল্লাহকেও অবশ্যই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ‘ধাপে ধাপে উত্তেজনা হ্রাস’ পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
আইজি বিশ্লেষক টনি সাইকামোর এক নোটে জানিয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ তেল ও গ্যাস পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন পেতে রাখার আশঙ্কা বাড়ছে। তিনি বলেছেন, ‘চুক্তি হলেও বাজারে বিপুল সরবরাহ আসবে না।’
অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদক শুক্রবার এক্সে জানান, সপ্তাহের শুরুতে প্রণালিতে আরও মাইন ফেলেছে ইরান।
রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, জুলাই মাসে এশিয়ার জন্য অপরিশোধিত তেলের সরকারি বিক্রয়মূল্য (ওএসপি) টানা দ্বিতীয় মাসের মতো কমাতে পারে সৌদি আরব।