ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বুধবার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন। খবর বেরিয়েছে, তার স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর পদে স্টারমারকে প্রতিস্থাপনের জন্য শুরু করা যাবে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা।
এমন সময় এই সংকট তৈরি হলো, যখন তার সরকারের কর্মসূচি তুলে ধরে কিছুটা স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন স্টারমার।
টাইমস পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং আনুষ্ঠানিক নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ জানাতে বৃহস্পতিবারের মধ্যেই পদত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এই খবর কিংস স্পিচকে ছাপিয়ে যায়, যেখানে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের কর্মসূচি উপস্থাপন করে সরকার।
এই প্রতিবেদনের পর ব্রিটিশ সরকারি বন্ড ফিউচারে তীব্র পতন হয় এবং দিনের আগের সব লাভ হারায়। একই সঙ্গে ২০ ও ৩০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডেও পতন দেখা যায়, ফলে ওই দিন সরকারের ঋণ গ্রহণ ব্যয় সামান্য বেড়ে যায়।
এর আগে স্ট্রিটিং সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য ডাউনিং স্ট্রিটে স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তবে বৈঠক নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করবেন না বলে জানান। তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি তার কার্যালয়ও।
স্টারমার তার কর্তৃত্ব নিয়ে ওঠা চ্যালেঞ্জগুলোকে গুরুত্বহীন দেখানোর চেষ্টা করেছেন এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা জোরদারের পরিকল্পনা তুলে ধরতে কিংস স্পিচ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এটি তার শেষ কিংস স্পিচও হতে পারে এবং হয়তো কখনো বাস্তবায়িত নাও হতে পারে এতে ঘোষিত পরিকল্পনাগুলো। অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, হয়তো ক্ষমতার শেষ সময় পার করছেন স্টারমার ।