Image description

রাজনৈতিক বিতর্ক ও নিয়োগ অনিয়মের অভিযোগে আলোচিত বাছির আহমেদ এবার পদোন্নতির প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে যাচ্ছেন। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই শিক্ষককে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত করার উদ্যোগকে ঘিরে ক্যাম্পাসে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) অনুষ্ঠিতব্য বাছাই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য তাকে ইতোমধ্যে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

এর আগে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে তারেক রহমানকে ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের গডফাদার’ আখ্যা দিয়ে মিছিলে অংশ নেওয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে সমালোচনা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, দলীয় আনুগত্যের প্রভাবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। পাশাপাশি, ২০২৪ সালের আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং আন্দোলনকারীদের তালিকা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে সরবরাহের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া নিয়োগ সংক্রান্ত নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগও তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, ফিশ হেলথ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকা সত্ত্বেও তিনি ওশানোগ্রাফি বিভাগে নিয়োগ পান এবং পরে প্রশাসনিক সহায়তায় আবার সংশ্লিষ্ট টেকনিক্যাল বিভাগে স্থানান্তরিত হন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে বাছির আহমেদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার রেজাউল ইসলাম বলেন, “নিয়োগ ও পদোন্নতির বিষয়ে প্রশাসনিক কাজটুকুই আমরা করি। প্রার্থীর যোগ্যতা যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কমিটির।”

ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।


শীর্ষনিউজ