ইরানের তেল কেনা চীন ও হংকংয়ের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের তেল বিক্রি ও দেশটির অর্থ আয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতেই এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২ মে) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক খবরে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, ইরানের পেট্রোলিয়াম, পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য এবং পেট্রোকেমিক্যাল পণ্যের বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত ‘কয়েকটি প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ও একটি জাহাজের’ ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছে চীনের তেল টার্মিনাল অপারেটর চিংদাও হাইয়ে অয়েল টার্মিনাল কোম্পানি লিমিটেড।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি একতরফা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ‘কোটি কোটি ব্যারেল’ অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। হাইয়ে এমন কার্যক্রমকে সহায়তা করেছে, যার মাধ্যমে তেহরানে বিলিয়ন ডলার আয় করছে। তারা এড়িয়ে যাওয়ার জটিল কৌশল ব্যবহার করেছে এবং নিষেধাজ্ঞাভুক্ত জাহাজের সঙ্গে অবৈধ জাহাজ-থেকে-জাহাজ (শিপ-টু-শিপ) তেল স্থানান্তরের মাধ্যমে আসা কার্গো গ্রহণ করেছে।
ওয়াশিংটনে চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেংইউ নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে কোনও ভিত্তি নেই, এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞা এবং দূর থেকে এমন বিচারিক ক্ষমতা বেইজিং সমর্থন করে না।
এ ছাড়াও, চীনের তেল শোধনাগার এবং হংকংভিত্তিক একাধিক শিপিং কোম্পানির ওপরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যেগুলো ইরানের তেল বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত বলে তারা দাবি করছে।