যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীদের মধ্যে যারা ইসরায়েলবিরোধী তাদের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গ্রিনকার্ডের অযোগ্য বলে ঘোষণা করেছেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট উল্লেখ করেছে, আমেরিকার নীতির বিরুদ্ধে মতামত ব্যক্ত, কিংবা ইসরায়েলের আগ্রাসনের সমালোচনা অথবা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে আন্দোলন-সংগ্রামে অংশগ্রহণকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনকার্ড পাবেন না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সর্বশেষ এ নির্দেশনার পরিপূরক যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট। এরই মধ্যে বিচার বিভাগের আওতায় ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিস তথা ইউএসসিআইএসকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে। এ খবর প্রকাশ হওয়ার পর ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিতে নতুন দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে উদার গণতান্ত্রিক নীতি বিরাজ করায় অনেকে ইসরায়েলের বর্বরতার বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছিলেন। অনেকে ফিলিস্তিনিদের পক্ষাবলম্বন করে লেখালেখিও করেছেন। কিন্তু এসবই এখন গ্রিনকার্ড প্রাপ্তি বা রক্ষা করার পথ রুদ্ধ করতে যাচ্ছে।
এমনকি এরই মধ্যে এ অভিযোগে বেশ কয়েকজনের গ্রিনকার্ড বাতিল করে তাদেরকে নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়াসহ গণমাধ্যমে মনিটরিং চালাচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। অর্থাৎ ইমিগ্র্যান্ট/নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসার জন্য যারা আবেদন করেছেন তারা এখনো কঠোর নজরদারিতে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থি তৎপরতায় লিপ্তরা ভিসার যোগ্য নন বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে ট্রাম্পের এ মেয়াদে গ্রিনকার্ড ইস্যুর ঘটনাও অর্ধেকে নেমে এসেছে। ৭৫টি দেশে ইউএস সিটিজেনদের স্বজনের অভিবাসনের প্রত্যাশায় ইন্টারভিউ-তে অংশ নিতে সক্ষম হলেও ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে না। এভাবে সিটিজেন স্বজনদের ‘পারিবারিক কোটায়’ গ্রিনকার্ডসহ যুক্তরাষ্ট্রে বসতি গড়ার প্রত্যাশা মুখ থুবড়ে পড়েছে।