Image description

ইরান যুদ্ধ যতটা সহজ ভেবেছিল যুক্তরাষ্ট্র, ততটাই কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের আঁচ পড়তে শুরু করেছে পশ্চিমা দেশগুলোর অর্থনীতিতেও। যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি বিষয়টি স্বীকার না করলেও ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে তারা।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী ৩০ দিনের জন্য ইরানের অপরিশোধিত তেল এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, এই সাময়িক অনুমোদন শুধু নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা সেসব তেলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যেগুলো ইতিমধ্যে পরিবহনের পথে রয়েছে। নতুন কোনো ক্রয়াদেশের জন্য না।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দামের ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা লেগেছে। এই সংকট কাটাতেই যুক্তরাষ্ট্র সিদ্ধান্তটি নিয়েছে।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে বৃদ্ধির পর প্রথমবার বিশ্ববাজারে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোরে বৈশ্বিক তেলের মানদণ্ড ‘ব্রেন্ট ক্রুড’-এর দাম শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ কমে ১০৮ ডলারে এবং মার্কিন মানদণ্ড ‘ডব্লিউটিআই’ ১ দশমিক ১ শতাংশ কমে ৯৪ দশমিক ৬ ডলারে নেমেছে।

 

গোল্ডম্যান স্যাকস এমনকি ইঙ্গিত দিয়েছে যে, এই উচ্চমূল্য ২০২৭ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। বিনিয়োগ ব্যাংকটির বিশ্লেষকরা বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) এক নোটে লিখেছেন, ‘পূর্ববর্তী বড় ধরনের সরবরাহ ঘাটতিগুলোর স্থায়িত্ব এটিই নির্দেশ করে যে, দীর্ঘমেয়াদী বিঘ্ন এবং বড় ধরনের ক্ষতির ক্ষেত্রে তেলের দাম ১০০ ডলারের ওপরেই থেকে যেতে পারে।’