Image description

ছোট পর্দার এই সময়ের ব্যস্ত ও জনপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। প্রায় এক যুগেরও বেশি ক্যারিয়ারে বেশ দাপটের সঙ্গেই অভিনয় করে যাচ্ছেন আর দুই হাতে দর্শকদের ভালোবাসা কুড়াচ্ছেন। একদিন আগেই গত হলো ভালোবাসা দিবস। বিশেষ এই দিনটিতেও শুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন এই তারকা।


সেই ব্যস্ততার মাঝেই ভালোবাসা, সম্পর্ক ও জীবনের নতুন অধ্যায় নিয়ে কথা বলেছেন তিনি।

ভালোবাসার সংজ্ঞা কি বদলেছে?

ভালোবাসা তার কাছে সময়ের সঙ্গে বদলেছে। জোভানের ভাষায়, একসময় ভালোবাসার মানে ছিল ভিন্ন। কিন্তু বিয়ের পর সেই সংজ্ঞা এখন অনেকটাই ব্যক্তিগত ও গভীর।


অভিনেতা বলেন,  ‘এখন ভালোবাসা মানেই আমার স্ত্রী। পরিবার সবসময়ই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, এটা সবাই জানে। আর সেই পরিবারে নতুন সদস্য হিসেবে স্ত্রী আসার পর জীবন আরও অনেক গোছানো ও সুন্দর হয়েছে।’

Jovan-Nirjona

নতুন প্রজন্মের সম্পর্কের ধরন নিয়ে ভাবনা

বর্তমান সময়ে সম্পর্কের সংজ্ঞায় যুক্ত হয়েছে নতুন কিছু শব্দ—ঘোস্টিং, বেঞ্চিং, সিচুয়েশনশিপ।

তবে এ বিষয়ে খুব বেশি বিশ্লেষণ করতে চান না জোভান। 

নিজেকে মিলেনিয়াল প্রজন্মের মানুষ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই শব্দগুলো আসলে জেন-জি টার্ম। আমি যেহেতু জেন-জি না, মিলেনিয়াল তাই এগুলো সম্পর্কে আমি খুব একটা বুঝি না।’

ভালোবাসা দিবসেও কাজ

ভালোবাসা দিবসে শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকা নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবধর্মী। একজন শিল্পীর কাছে কাজও সমান গুরুত্বপূর্ণ—এ কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সবকিছু ব্যালেন্স করে চলার চেষ্টা করেন।

এখানে তার স্ত্রীর বোঝাপড়াকেই সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে দেখেন তিনি। ব্যস্ততার মাঝেও সেদিন কাজ কিছুটা আগে শেষ করে রাতে স্ত্রীকে নিয়ে সময় কাটিয়েছেন—যা তার কাছে হয়ে উঠে বিশেষ এক মুহূর্ত।

জোভানের ভাষ্য, ‘আমার স্ত্রী এই বিষয়গুলো বুঝে, যার কারণে এগুলো নিয়ে খুব একটা অভিমান করে না। এদিন একটু তাড়াতাড়িই কাজ শেষ করে রাতে স্ত্রীকে নিয়ে বের হয়েছি, সময় দিয়েছি। খুব সুন্দর একটা সময় কাটিয়েছি দুজনে।’

No photo description available.

প্রতিদিনই তৈরি হয় ভালোবাসার স্মৃতি

প্রিয় মানুষের সঙ্গে আলাদা করে বিশেষ মুহূর্তের তালিকা করতে চান না জোভান। তার মতে, প্রতিদিনই নতুন নতুন মুহূর্ত, স্মৃতি তৈরি হয়—যা দুজনের ব্যক্তিগত পরিসরেই সুন্দরভাবে রয়ে যায়।

প্রিয় মানুষকে বলা কিছু কথা

এমন একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছেন, যিনি তাকে সবসময় সমর্থন দেন। এই কারণে নিজেকে বেশ ভাগ্যবান মনে করেন জোভান। এই মানসিক শক্তিই তাকে কাজে মনোযোগী থাকতে সাহায্য করে।

ভালোবাসার মানুষটির উদ্দেশ্যে সংক্ষিপ্ত বার্তায় বললেন, ‘আমি খুবই ভাগ্যবান যে এমন একজন জীবনসঙ্গী পেয়েছি। মানুষটা আমাকে অনেক বেশি সাপোর্ট করে, যার কারণে কাজ করেও শান্তি পাই। একটা মানসিক শান্তি অনুভব করি। ওর কাছে অনেক বেশি কৃতজ্ঞ। আমার প্রিয় মানুষটির উদ্দেশ্যে বলতে চাই, খুব ভালোবাসি তোমাকে।’