Image description

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল (ক্রুড অয়েল) এসেছে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে। শুক্রবার (২২ মে) ভোরে ২৪৮ দশমিক ৯৬ মিটার লম্বা, পানামার পতাকাবাহী ‘এমটি ফসিল’ নামক জাহাজটি পৌঁছায়।

এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জাহাজটি থেকে তেল লাইটারিং (ছোট জাহাজে স্থানান্তর) শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর এটি বাংলাদেশে ক্রুডের দ্বিতীয় চালান। এর আগে গত ৬ মে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ বাংলাদেশে আসে। এরপর গত ৮ মে থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে (ইআরএল) উৎপাদন শুরু হয়।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) অধীন ইআরএল ক্রুড অয়েল থেকে এলপিজি, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল ও ফার্নেসসহ ১৬ ধরনের তেল জাতীয় পণ্য উৎপাদন করে। তবে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইসরাইলের যুদ্ধের কারণে পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলোতে অস্থিরতা তৈরি হলে এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে বাংলাদেশে অপরিশোধ তেল আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এর ফলে অপরিশোধিত তেলের সংকট দেখা দেয়। কাঁচামালের অভাবে একপর্যায়ে ১৪ এপ্রিল থেকে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে পরিশোধন কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।

ইআরএলের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বলেন, কাস্টমস ও সার্ভেয়ার কোম্পানির আনুষ্ঠানিকতা শেষে ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল নেয়ার কাজ শুরু হয়েছে। এ কাজের জন্য ২৫-২৬টি লাইটার জাহাজ লাগতে পারে। আগামী ৮-১০ দিনের মধ্যে ‘এমটি ফসিল’ থেকে সব ক্রুড অয়েল রিফাইনারিতে পৌঁছে যাবে। সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দরে আরেকটি জাহাজে বিপিসির জন্য আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল ৩০ মে লোড করার প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হয়েছে।