Image description

জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠন হয়েছে নতুন মন্ত্রিসভা। এরইমধ্যে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচন নিয়ে।

সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এ নির্বাচন হওয়ার কথা। সে হিসাবে চলতি বছরের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ইসিকে তা সম্পন্ন করতে হবে। এ নিয়ে তাদের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর থেকেই দলগুলো এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমান মাছউদ জানিয়েছেন, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শিগগির আয়োজন করা হবে। ঈদুল ফিতরের আগেই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।

সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতেই বণ্টন হয় সংরক্ষিত নারী আসন। সে অনুযায়ী সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল নিজেদের প্রার্থী মনোনয়ন দিয়ে থাকে।

এসব আসনের দিকে চোখ বড় দলগুলোর নারী নেত্রীদের। মনোনয়ন পেতে ইতোমধ্যে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন অনেকে। সবাই যার যার সুযোগ মতো লবিংয়ে ব্যস্ত। সাধারণ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন পাওয়ায় সংরক্ষিতের ক্ষেত্রে বেশি আসন পাবে বিএনপি, দ্বিতীয় জামায়াত ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

 

এরইমধ্যে এই তিন দলের বেশকিছু নারী নেত্রীর নাম আলোচনায় এসেছে।

তাদের কেউ কেউ দলের বড় পদে রয়েছেন। বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী ফোরামে কাজ করছেন। আবার অনেকে শীর্ষনেতাদের স্ত্রী ও কন্যা হিসেবেও আলোচনায় আছেন। তবে দলগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে— তারা ইতোমধ্যে দলীয়ভাবে যোগ্য ও ত্যাগী প্রার্থীদের বাছাই করছেন।

সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন হয় কীভাবে?

সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনে প্রাপ্ত আসনের সংখ্যানুপাতে রাজনৈতিক দল বা জোটগুলো তাদের নির্ধারিত আসনের জন্য একক নারী প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। তাই তারা বিনা ভোটে নির্বাচিত হন। এ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার নিয়ম থাকলেও ভোটার ও আসন বণ্টনসহ কমিশনকে এর জন্য নানা প্রক্রিয়ায় এগোতে হয়।

নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে যারা শপথগ্রহণকারীদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ে পাঠাবে নির্বাচন কমিশন।

আর নির্বাচিতদের ফল গেজেট আকারে প্রকাশের পরবর্তী ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোটগুলো নিজেদের অবস্থান নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে।

গেজেট হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচনের উদ্দেশে নির্বাচন কমিশন সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের রাজনৈতিক দল বা জোটওয়ারী সদস্যদের আলাদা আলাদা তালিকা প্রস্তুত করবে। এর পরের কার্যদিবসে সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনে প্রকাশ্য কোনও স্থানে টানিয়ে দেওয়া হবে। একইসঙ্গে সংসদ সচিবালয়কে সেই তালিকার প্রত্যায়িত কপি পাঠিয়ে তা টানানোর জন্য বলবে। নির্বাচনের আগে সেই তালিকার আর কোনও পরিবর্তন করা যাবে না। তবে কোনও ভুল হলে নির্বাচন কমিশন তা সংশোধন করতে পারবে।

আসন বণ্টন বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যদের জন্য কোনও নির্ধারিত নির্বাচনি এলাকা নেই। তারা শুধু দলীয় বা জোটের সদস্য হিসেবে পরিচিত হবেন। এক্ষেত্রে দল বা জোটের প্রাপ্ত আসনের ভিত্তিতে মহিলা আসন বণ্টন করা হবে।

বণ্টনের প্রক্রিয়া

বিধি অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনকে সাধারণ ৩০০ আসনের ভিত্তিতে ভাগ করলে যে ভাগফল পাওয়া যাবে, তাকে কোনও দল বা জোটের যে সংখ্যক সদস্য শপথ নিয়েছেন, তা দিয়ে গুণ করলে যে ফল পাওয়া যাবে, সেই সংখ্যক নারী সদস্য হবে ওই দল বা জোটের। গুণফল ভগ্নাংশ হলে সেক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ৫ বা এর চেয়ে বেশি সংখ্যকের জন্য একটি আসন পাওয়া যাবে। অবশ্য এক্ষেত্রে বণ্টিত আসন সংখ্যা মোট আসনের থেকে বেড়ে গেলে ভগ্নাংশের হিসাবে এদিক-সেদিক হতে পারে। আইনে কোনও কোনও ক্ষেত্রে লটারির বিধানও রয়েছে।

আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যরাই সংরক্ষিত আসনের নির্বাচনে ভোটার হবেন এবং এই ভোটাররা শুধু নিজেদের দলের প্রাপ্ত আনুপাতিক আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচনের জন্য ভোট দিতে পারবেন। এক্ষেত্রে বণ্টিত আসনে একক প্রার্থী হলে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু বণ্টিত আসনের তুলনায় ওই দল বা জোটের প্রার্থী বেশি হলে ভোট নিতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া প্রার্থীরাই নির্বাচিত বলে গণ্য হবেন।

কোন দলের ভাগে কয়টি আসন?

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে গেজেট হওয়া ২৯৬টি সাধারণ আসনে বিএনপি ২১১টি, জামায়াত ৬৮টি ও এনসিপি পেয়েছে ৬টি।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, খেলাফত মজলিস ১টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে একটি। গণঅধিকার পরিষদ ১টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১টি ও গণসংহতি আন্দোলন ১টি।

এ ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন।

নিয়ম অনুযায়ী সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে ৬ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন।

গেজেট অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি জোট ৩৫টি এবং জামায়াত জোট পেতে পারে ১৩টি আসন।

বিএনপিতে তৎপর অর্ধশতাধিক নেত্রী

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন পেতে তৎপরতা শুরু করেছেন বিএনপির অর্ধশতাধিক নারী নেত্রী। ইতোমধ্যে যে যার ঘনিষ্ঠজনদের কাছে ছুটে যাচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে দলের একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে এখনও কাউকে নির্ধারণ করা হয়নি। তবে বিগত দিনে রাজপথে সংগ্রাম করেছেন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, এমন নেত্রীদের তালিকা করা হচ্ছে। এছাড়াও সরাসরি দলের সঙ্গে যুক্ত নন, কিন্তু বিভিন্ন ফোরামে দলের পক্ষে ভূমিকা রেখেছেন— এমন নেত্রীদেরও গুডবুকে রাখা হচ্ছে।

তবে দলের একাধিক সূত্র থেকে এরইমধ্যে কয়েকজনের নাম আলোচিত হচ্ছে।

তাদের মধ্যে ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী, অপর্ণা রায়, অ্যাডভোকেট আরিফা সুলতানা রুমা, মহিলা দলনেত্রী শাহানা আকতার সানু, নিয়াজ হালিমা আর্লি, রাবেয়া আলম, ঝালকাঠি জেলা বিএনপি নেত্রী জেবা আমিন খান, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক শাহিনুর নার্গিস, ময়মনসিংহ জেলা মহিলা দলের সভাপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেত্রী তানজিন চৌধুরী লিলি, ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী নাদিয়া পাঠান পাপন, শওকত আরা উর্মি ও শাহিনুর সাগর। কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনিন, রিজিয়া পারভিন ও কনক চাঁপা এবং ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের স্ত্রী হাসনা জসিম উদ্দিন মওদুদের নামও আলোচনায় আছে।

বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস আকতার জাহান শিরিন, কেন্দ্রীয় নেত্রী শিরিন সুলতানা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, সহসভাপতি নাজমুন নাহার বেবী, বিএনপির কেন্দ্রীয়সহ স্থানীয় সরকারবিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আকতার, নিলোফার চৌধুরী মনি, সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া, রাশেদা বেগম হীরা, রেহেনা আকতার রানু, ইয়াসমিন আরা হক, জাহান পান্না, বিলকিস ইসলাম, ফরিদা ইয়াসমিন।

সাবেক হুইপ সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের মেয়ে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সম্পাদক ফাতেমা বাদশা, চট্টগ্রাম মহানগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি ও সাধারণ সম্পাদক জেলী চৌধুরী, উত্তর জেলা মহিলা দলের সভাপতি মেহেরুন নেছা নার্গিস, দক্ষিণ জেলা মহিলা দলের সভাপতি জান্নাতুল নাঈম রিকু, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, জাসাসের কেন্দ্রীয় নেত্রী নাজমা সাঈদ ও ফটিকছড়ির গুম হওয়া বিএনপি নেতা শহিদুল আলম সিরাজ চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী সুলতানা পারভীনের নাম আলোচনায় রয়েছে।

ঢাকা-১৪ আসন থেকে পরাজিত প্রার্থী মায়ের ডাকের সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম (তুলি), স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মরহুম শফিউল বারী বাবুর স্ত্রী বীথিকা বিনতে হুসাইন, শেরপুর-১ আসন থেকে পরাজিত ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, সিলেটের হারিছ চৌধুরীর মেয়ে সামিরা তানজিনা চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ড. সৈয়দ মকবুল হোসেনের মেয়ে সৈয়দা আদিবা হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী ও সাবেক এমপি হাসিনা আহমদ, মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্বনির্ভর সম্পাদক আসমা আজিজও আলোচনায় রয়েছেন।

এ বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘জাতীয় সংসদ অধিবেশন শুরু হওয়ার পর সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য মনোনয়নের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত আসবে।’’ তিনি জানান, এখনও  চূড়ান্ত তালিকা করা হয়নি। তবে বিগত দিনে যারা রাজপথে ছিলেন বা সমাজের বিভিন্ন অঙ্গনে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন, তাদেরকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে। এক্ষেত্রে নবীন-প্রবীনের সমন্বয় ঘটবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

প্রকাশ্যে লবিং না থাকলেও জামায়াতে আলোচনায় যারা

প্রকাশ্যে দৌড়ঝাঁপ বা লবিং না থাকলেও সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি পদের জন্য প্রধান বিরোধী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতেও দুই ডজনের বেশি নারী নেত্রী আলোচনায় এসেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহিলা জামায়াতের একটি সূত্র জানায়, এদের মধ্যে কেউ কেউ চিকিৎসক, অধ্যাপক, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

এর মধ্যে কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যাপিকা নুরুন্নিসা সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক প্রকৌশলী মারদিয়া মমতাজ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সাবেক এমপি ডা. আমিনা বেগম রহমান, সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য শাহান আরা বেগম, সাঈদা রুম্মান, মার্জিয়া বেগম, খন্দকার আয়েশা খাতুন, ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি, রাবেয়া খানম, ডা. শিরিন আক্তার রুনা, তানহা আজমি, নার্গিস খান, কানিজ ফাতেমা, সেলিনা আক্তার ও আয়েশা সিদ্দিকা এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি ব্যারিস্টার সাবিকুন্নাহার মুন্নী।

এ বিষয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনে আমাদের প্রার্থী বাছাই চলমান। এক্ষেত্রে যোগ্য ও পরিশীলিত ধারার নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অচিরেই গণমাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।’’

এনসিপিতে চার নেত্রীকে ঘিরে আলোচনা

সাধারণ আসন প্রাপ্তির ভিত্তিতে আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত নারী আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ভাগে পরতে পারে মাত্র একটি আসন। কারণ সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনে দলীয় ৬টির মধ্যে ১টি নারী আসন বণ্টন করা হবে।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৬টি আসনে জয়লাভ করেছে এনসিপি। তবে জোটের বড় দল জামায়াতের পক্ষ থেকে তাদেরকে আরও একটি আসন ছাড় দেওয়ার গুঞ্জন রয়েছে। সে হিসেবে দলটির ভাগ্যে দুটি আসন মিলতে পারে।

দলের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েকজন নেত্রী সংরক্ষিত আসনের এমপি হতে পারেন বলে আলোচনায় রয়েছেন। এর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও যুগ্ম সদস্য সচিব মনিরা শারমিন, ঢাকা-১৯ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দিলাশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে শাপলা কলি প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা নাবিলা তাসনিদ এবং দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু। এর বাইরেও আরও কমপক্ষে ৫ জন নেত্রী আলোচনায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘‘সংরক্ষিত নারী আসনে অনেকেই আলোচনায় আছেন। তবে আমরা ত্যাগী ও যোগ্যদের অগ্রাধিকার দেবো।’’