Image description

ময়মনসিংহ-১ আসনে (হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া) কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্সের পরাজয়ের নেপথ্যে প্রধান কারণ বিজয়ী স্বতন্ত্র বিদ্রোহী প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল। দ্বিতীয়ত, ধোবাউড়া উপজেলার ঘোষগাঁও নজরুল ইসলাম হত্যাকাণ্ড। সে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুবেলের সমর্থক ছিল। এছাড়া দ্ররিদ্র মানুষকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে মন জয় করার কারণে সাধারণ ভোটাররা রুবেলকে ভোট দেন। তারা এলাকার উন্নয়নের ভাবনা থেকে প্রিন্সকে ভোট দেননি।

প্রিন্স সমর্থকরা জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে মাত্র ৬,৩৩৯ ভোটে পরাজিত হন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব এমরান সালেহ প্রিন্স। দলের দুঃসময়ে দু’উপজেলার বিএনপি’র নেতাকর্মীদের দিনরাত সময় দিয়েছেন এমরান সালেহ প্রিন্স। তাদেরকে ঐক্যবদ্ধ রেখে প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামে দুঃসাহসিক ভূমিকা রেখেছেন। তার শ্রমের ফলে নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েও দল ছেড়ে যায়নি। আওয়ামী লীগ আমলে তিনি জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। কিছু নেতাকর্মী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সুবিধা নিয়েছেন। তাদেরকে দলে পদ-পদবি না দেয়ায় ক্ষুদ্ধ হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে প্রিন্সের ভরাডুবির জন্য কাজ করে তারা।

ঘোষগাঁও হত্যাকাণ্ডের জেরে শুধু ধোবাউড়া উপজেলায় ৫ হাজার ভোট বেশি পায় স্বতস্ত্র প্রার্থী। অথচ এ ব্যাপারে প্রিন্স দায়ী নয়। তার কোনো হাত ছিল না। কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মীর বাড়াবাড়ি ছিল অতিমাত্রায়। তারা প্রিন্সের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল। যার দায় তার ছিল না। প্রতিপক্ষ হত্যাকে কেন্দ্র করে স্বতন্ত্র প্রার্থী সুবিধা নেয়। 

এছাড়াও দরিদ্র মানুষকে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতার খবর বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ধোবাউড়া উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আনিসুর রহমান মানিক বলেন, সাংগঠনিকভাবে হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া উপজেলায় শক্তিশালী ছিল। আওয়ামী লীগের দোসররা এবং মনোনয়ন বঞ্চিতদের বিরোধিতার কারণে পরাজয় হয় বলে মনে করেন তার সমর্থকরা। পরাজয়ের কারণ হিসেবে প্রিন্স বলেন, প্রশাসনিক পক্ষ-পাতিত্ব, আওয়ামী লীগের দোসররা ঘোড়ার পক্ষ নিয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগও দিয়েছি। এ ব্যাপারে নির্বাচন স্থগিত করে ভোট পুনঃগণনা করার আবেদন করেছি। এ ব্যাপারে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাবো।