Image description

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের একাংশ) বিএনপি জোটের মনোনীত প্রার্থী জমিয়তে উলামা ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব বলেছেন, আমার মার্কা খেজুর গাছ। নির্বাচনে পাশ করবে গাব গাছ। দুই-চারটা হাঁস যদি এক বাড়িতে থাকে তাহলে কানিখানেক জমি দিনেই কিন্তু এমনই শেষ। হাঁস-রে কিন্তু কোনোভাবেই ধান খেতে দেওয়া যাবে না। 

তিনি বলেন, তারেক রহমান সাহেব বলে গেছেন- ধানের শীষের পক্ষ নিন, খেজুর গাছে ভোট দিন। গত ২২ জানুয়ারি কুট্টাপাড়া খেলার মাঠে পকেট থেকে কাগজ বের করে তিনি বলেছেন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়া হবে। সুতরাং যদি উন্নয়ন চান তবে তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। আজকে আমি আপনাদের কাছে আসছি ভোট নিতে। কিন্তু ১২ তারিখের পর আমি আপনাদের দিতে আসব। এখানকার এক নম্বর দল হচ্ছে বিএনপি। আমি বিএনপির ভাইদের বলব, আমার প্রত্যেক ঘরে-ঘরে, বাড়ি-বাড়ি যাওয়া দরকার ছিল। মা-বোনদের সালাম পৌঁছানো দরকার ছিল। আমি কিন্তু সালাম পৌঁছাতে পারিনি। আমি তাদের কাছে গিয়ে দেখা দিতে পারিনি। সালামটা আপনাদের হাতে দিয়ে গেলাম। আপনারা প্রত্যেক বাড়ি আমার সালামটা পৌঁছে দিবেন। সকলকে ভোটে এনে হাজির করবেন। তারেক রহমান বলে গেছেন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে আপনার ফজর নামাজ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পড়বেন। 

গ্যাস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাকে যদি আল্লাহ পাক নির্বাচিত করেন। আমার মাটির নিচের গ্যাসের সুবিধার জন্য কাজ করব। আমার এলাকার গ্যাস দিয়ে যদি ইটের ভাটা চলতে পারে। মিল ইন্ডাস্ট্রি চলতে পারে। এই মাটির নিচ থেকে গ্যাস উঠবে আর মা-বোনরা পাকসাক করার জন্য গ্যাস পাবে না, তা হতে পারে না। এই বিষয়টা দেখব ইনশাআল্লাহ্। তিনি জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আমার আসন হচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের একাংশ)। আমি এই এলাকা থেকে একজন বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী, এই এলাকা থেকে এমপি হব। আমি জোট করছি বিএনপির সঙ্গে, এখন এদেশের সব থেকে বড় দল হলো বিএনপি। সেই দলের জেলা সভাপতি হলেন শ্যামল। তাকে অতিথি হিসেবে আমার এখানে নিয়ে আসছি।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উনি এখান থেকে এমপি প্রার্থী না হইয়া, পাবনা মেন্টাল হাসপাতালে থাকার দরকার ছিল।