ক্ষমতায় গেলে জনগণকে দেয়া সব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নিজের নির্বাচনী এলাকা রাজধানীর বনানীর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ খেলার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেছেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচন কেবল একটি ভোট নয়, বরং জুলাই আন্দোলনে জীবন দেয়া শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র রক্ষার এক বড় সুযোগ।”
নিজের বেড়ে ওঠার স্মৃতিচারণ করে তারেক রহমান বলেন, “এই ঢাকা-১৭ আসন আমার এবং আমার পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগের জায়গা। এখানে আমি এবং আমার ভাই বড় হয়েছি। আমাদের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় এই এলাকাতেই কাটিয়েছেন। এই মাটির সঙ্গে আমাদের আত্মার সম্পর্ক।”
তিনি আরও বলেন, “এই এলাকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণে বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
দেশের মা-বোনদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা দেন। বলেন, “মা-বোনেরা যদি আর্থিকভাবে স্বাধীন না হন, তবে উন্নত জাতি হিসেবে আমরা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারব না। বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছিলেন, আর আমরা এবার সেই শিক্ষিত নারী ও গৃহিণীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করব। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মা ও গৃহিণীর কাছে সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়া হবে।”
কৃষিকে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। তিনি ঘোষণা করেন যে, বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রান্তিক ও মাঝারি সকল স্তরের কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ চালু করা হবে। এর ফলে সরকারি সকল ভর্তুকি ও সুযোগ-সুবিধা কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কৃষকের হাতে পৌঁছাবে।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে তিনি উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “যারা গণতন্ত্রের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের ঋণ শোধ করার সময় এসেছে।”
তিনি ১২ ফেব্রুয়ারি নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার হাতকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
শীর্ষনিউজ