Image description
 

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই—এই নির্বাচনে ওসিদের কেনা যাবে না। এসপিদের জন্য আলাদা কোনো খাম রাখতে হবে না। এসআইদের জন্য আলাদা কোনো টাকা রাখতে হবে না। তাদের বিবেকের তাড়নায়, পেশার মর্যাদায়, পোশাকের সম্মানে নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য যদি জীবন দিতে হয়; তাহলে নির্বাচনের কেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনে জীবন দেবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এই মুহূর্ত থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত আপনাদের কাজ হচ্ছে—আজকে যতজনের কাছে গিয়েছেন আগামীকাল তার থেকে আরো ১০ জনের কাছে বেশি যাবেন । আগের দিনের থেকে পরের দিন এক ঘণ্টা বেশি কাজ করবেন। আপনাদের ঘুম এবং আরাম বাদ দিতে হবে। প্রত্যেকটা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পা ধরতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি—চাঁদাবাজি করার থেকে ভোট ভিক্ষা চাওয়া বেশি সম্মানের। প্রয়োজনে আমরা মানুষের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইব।

তিনি আরো বলেন, আপনারা জানেনও না, যারা আপনার বিরোধী দলে আছে, তাদের কর্মীরাও আপনাদেরকে ভোট দিতে চায়। কারণ তারা জানে তারা যে চাঁদাবাজিটা করে, এই চাঁদাবাজির পার্সেন্টেজ নেতার কাছে পৌঁছে দিতে হয়। তাদেরকে মান্থলি টার্গেট দেওয়া হয়। এই টার্গেটের কাছে তারা নিজেরাই মাঝে মাঝে ফেল করে। তারা এসে আমাদেরকে জানায়, ভাই আর পারতেছিনা । যেহেতু দলটা অনেকদিন করি, সেহেতু এখানে থাকতে হয়। আপনারা তাদের কাছেও দাওয়াত পৌঁছাই দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের গুন্ডা বাহিনী নাই, আমাদের সন্ত্রাসী বাহিনী নাই, আমাদের বর্ডার বাহিনী নাই। বাংলাদেশ স্পষ্ট দুই ভাগে বিভক্ত । এক ভাগ ভারতের কাছে নিজের বিবেক এবং মস্তিষ্ক বর্গা দেওয়ার জন্য তৈরি। আরেকভাগ স্বাধীনতা রাখার আকাঙ্ক্ষায় উন্মাদ হয়ে আছে। এক ভাগ চাঁদাবাজিতে ব্যস্ত, আরেক ভাগ জাতিকে মুক্তি দিতে চায়। এক ভাগ বাংলাদেশের স্বৈরতন্ত্র মুক্ত করতে চায়, আরেক ভাগ স্বৈরতন্ত্র হয়ে উঠতে চায়। এখন সিদ্ধান্ত আপনাদের কাছে। প্রার্থীর কাছে কিন্তু ভোট নাই, ভোট কিন্তু ভোটারের কাছে, জনগণের কাছে ।