Image description

আমরা বেহস্ত-দোজখ দিতে পারব না, বিএনপি চায় জনগণের মুখে হাসি ফুটুক বলে মন্তব্য করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন দিবস। গত ১৭ বছর ধরে আমরা ভোটের অধিকারের জন্য সংগ্রাম করেছি। বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন, সেই ভোটের অধিকার ১২ ফেব্রুয়ারি। সেই সংগ্রামে বিএনপির বহু নেতাকর্মী জেল জুলুমে নির্যাতিত হয়েছে। আজকে আমাদের সামনে সুযোগ এসেছে ধানের শীষে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের কর্ণেল বাজারে ধানের শীষের নির্বাচনি সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায়
তিনি এসব কথা বলেন। মোগড়া ও মনিয়ন্দ ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজনে সভায় বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
মুশফিকুর রহমান আরও বলেন, এবারের বিএনপি, ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক দল। যারা জনগণের কথা বলে। অন্যান্য দল জনগণের কথা কিছু বলেনি। তারা বলে হ্যাঁ-না ভোট। বলে বেহেশত আর দোজখ। কারণ তারা জানে তারা ক্ষমতায় আসতে পারবে না। ক্ষমতায় আসতে পারবে না বলেই তাদের মধ্যে ষড়যন্ত্র। কীভাবে আগামী দিনের নেতা বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নতুন গতিশীল সরকার গঠন করার যে কর্মসূচি দিয়েছে তা তারা বাস্তবায়ন করতে দিবে না। কিন্তু বিএনপি চায় জনগণের মুখে হাসি ফুটুক।

বিএনপি প্রার্থী মুশফিকুর রহমান, বিএনপির কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ ৮টি অগ্রাধিকার সম্পর্কে বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, আমরা বেহেশত-দোজখ দিতে পারব না। বেহেশত দোজখ দেওয়ার মালিক আমরা না। বেহেশত-দোজখ দেওয়ার মালিক আল্লাহ। বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আল্লাহর। বিএনপি চায়, জনগণের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যে নতুন চিন্তাভাবনা তা যেন বাস্তবায়ন হয়।

জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে মুশফিকুর রহমান বলেন, সতর্ক থাকতে হবে নির্বাচনের আগে যেন টাকা পয়সার খেলা না হয়। অনেকে বোরকা পরে এসে আপনাদের ভোট দিয়ে চলে যেতে পারে।জনগণের দোয়া চেয়ে তিনি আরও বলেন, দোয়া করবেন বিএনপি যাতে ক্ষমতায় আসে। ক্ষমতায় আসলেও ষড়যন্ত্র হবে। একটি দল বিএনপিকে কাজ করতে দিবে না। ওই দলের সাথে যোগ দেবে পাশের একটি দেশ। আন্তর্জাতিক দেশ মিলে আমাদেরকে অস্থিরতার মধ্যে রাখতে পারে। কাজ করতে নাও দিতে পারে।

নেতাকর্মীদেরকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, ভুল করলে বিএনপির অবস্থা আওয়ামী লীগের চেয়েও বেশি খারাপ হবে।
এছাড়া তিনি কসবা-আখাউড়ার বেকারত্ব, মাদক, দুর্নীতি নিয়ে বক্তব্য দেন। এলাকার রাস্তাঘাটের সমস্যা নিয়েও বক্তব্য রাখেন।

জেলা বিএনপির সদস্য খন্দকার মো. বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল মনসুর মিশনের সঞ্চালনায় এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি জহিরুল হক, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি নাসির উদ্দিন হাজারী, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হুদা খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আব্দ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসাধারণ সম্পাদক মির্জা মারুফ প্রমুখ।

Copied from: https://rtvonline.com/