Image description
 

জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহামান বলেন, আকাশে কিছু কালো চিল ঘোরাফেরা করছে, ওরা যদি ছোঁ মেরে আপনার ভোটকে এলোমেলো করে দিতে চায়, তাহলে তাদের সবগুলোর ডানা খুলে ফেলবেন।

তিনি সাবধান করে দিয়ে বলেন, আমার ভোট আমি দিবো, তোমার ভোটও আমি দিবো- ওই শ্লোগান অচল, সেই দিন শেষ। এখন থেকে আমার ভোট আমি দিবো, তোমার ভোট তুমি দাও। আমারটায় হাত দিবানা, হাত দিলে আগুন জ্বলে উঠবে। সেই পাহারাদারি করতে হবে।

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কলাবাগানে গ্রিন রোড স্টাফ কোয়ার্টার মাঠে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকা-১০ আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোঃ জসীম উদ্দীন সরকারের পক্ষে এ জনসভা অনুষ্ঠিত হয়।

জামায়াত আমির বলেন, ১২ তারিখে নতুন বাংলাদেশ ও পরিবর্তনের পক্ষে প্রথম ভোটটি ‘হ্যা’ ভোট হোক। যারা হ্যা বলবেন-বুঝব তারা নতুন বাংলাদেশের পক্ষে, ন্যায়-ইনসাফের পক্ষে। আর যারা না দিবে, তারা সংস্কার চায় না, তারা চায়-ফ্যাসিবাদ ফিরে আসুক।

তিনি বলেন, একটি দল ঘরে ঘরে ফ্যামিলি কার্ড দিচ্ছে, অন্য দিকে মা-বোনদের গায়ে হাত দিচ্ছে। এভাবেই তারা মা-বোনদের বেইজ্জতি করছে। আমরা তা সহ্য করবো না।

তিনি বলেন- যারা বছরের পর বছর দেশের বাহিরে ছিল তারাই এখন আমাদেরকে গুপ্ত আর সুপ্ত বলছে। অথচ তাদেরকে দেশের মানুষ বিগত ১৭ বছর কোথাও দেখেনি। আমরা কারাগারে ছিলাম, গুম-খুনের শিকার হয়েছি। কারাগারে থাকলে যদি কেউ গুপ্ত হয় তবে আমরা গুপ্ত।

তিনি বলেন, হাজারো নির্যাতনেও আমরা দেশ ছেড়ে পালাইনি, নেতাকর্মীদের সাথে দেশেই ছিলাম। ৫ আগস্ট বিপ্লব না হলে যাদেরকে এই জাতি জীবনেও চোখে দেখতো না তারা এখন আমাদেরকে গুপ্ত বলছে! অথচ আমরা শত জুলুম নির্যাতন সহ্য করেও জনগণের পাশেই ছিলাম, আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরো বলেন- জুলাই শহীদদের পরিবারকে বলতে চাই, আমরা সুযোগ পেলে আপনাদের সন্তানদের হত্যার বিচার করবোই করবো ইনশাআল্লাহ। আমরা তাদের আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

এই সময় তিনি জসীম উদ্দীন সরকারের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন এবং এলাকাবাসীর নিকট দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন।

জসীম উদ্দীন সরকার বলেন- বর্ষাকাল আসলেই গ্রিন রোড পানিতে তলিয়ে যায়, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিতে জরাজীর্ণ। বিজয়ী হলে এই আসনের ভাগ্য পরিবর্তন করতে কাজ করবো।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা-১০ আসনের পরিচালক অধ্যাপক নূরনবী মানিক।