Image description

আসন্ন নির্বাচনে ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতা মঙ্গলবারের মধ্যে মধ্যে দৃশ্যমান হবে বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) জামায়াতের বসুন্ধরার কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইজাবসের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় এ কথা বলেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা সে বিষয়ে শঙ্কা থাকলেও প্রথমে তা নির্বাচন কমিশনকে জানানো হবে। সমাধান না হলে জাতিকে অবহিত করা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুলভ আচরণ করা হবে এবং সবার সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব করা হবে। দেশের মা-বোনেরা আগামী নির্বাচনে জামায়াতকে চয়েস করবেন বলে আমরা আশা করছি। 

তিনি বলেন, আমাদের জনগণের প্রতি শতভাগ আস্থা রয়েছে। আমরা চাই শুধু নির্বাচনটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হোক। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ যদি অন্য কোনো দলকে পছন্দ করেন, আমরা তাদের সহযোগিতা করবো। তবে নির্বাচন অবশ্যই সুষ্ঠু হতে হবে।

তিনি জানান, দুর্নীতির বিরুদ্ধে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, তারা জামায়াতের সহমত পাবে। তবে এবারের নির্বাচন যদি জনগণের হাতছাড়া হয়, তাহলে কখন তারা তাদের ভোটাধিকার ফিরে পাবে তা জানা নেই।

দেশের এগিয়ে যাওয়ার জন্য স্থিতিশীলতা প্রয়োজন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত সংস্কারের পক্ষে, দেশবাসীও সংস্কার চায়। বিচারবিভাগ পূর্ণ স্বাধীন হবে। কিন্তু জবাবদিহির জায়গাও থাকতে হবে।

শফিকুর রহমান বাংলাদেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি দলের প্রতি কিছু গণমাধ্যমের পক্ষপাত দৃশ্যমান। অভ্যুত্থানের সময়ও একই রূপ ছিল। আমরা চাই গণমাধ্যম স্বাধীনভাবে কাজ করুক। তারা যদি নিজেরাই পরাধীনতার শৃঙ্খল গলায় পরে, তবে তা জনগণের সঙ্গে প্রতারণা হবে।

জামায়াত আমির আরও মন্তব্য করেন, প্রশাসন বা গণমাধ্যম যেভাবেই ভূমিকা পালন করছে, জনগণ সবই মনে রাখছে। জনগণকে বোকা ভাবার কোনো কারণ নেই।