সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। কিন্তু এই আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। কিন্তু এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও দলের অপর এক নেতা।
পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। এছাড়া ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হককে দেওয়া আসনে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নিরব। এই চার আসনে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইতোমধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শরিকদের আসনে প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, যুগপত আন্দোলনে শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা করে কিছু আসন ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু এসব আসন আমাদের একদম জেতা সিট। এখানেও আমাদের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি আসনগুলোতে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে তাদের সঙ্গে আমরা বসব এবং ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা বোঝানোর চেষ্টা করব। এরপরও না শুনলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। সেটা দল থেকে বহিষ্কার হতে পারে বা তার চেয়েও কঠিন সিদ্ধান্ত হতে পারে।