Image description

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস আপনি খেলার নিয়মটা চেঞ্জ করে দিয়ে প্রয়োজনে ঘোষণা দেন, আমি খেলার নিয়ম চেঞ্জ করেছি এবং এই খেলার নিয়মের একটি আইনগত ভিত্তি দিচ্ছি। এরপর আগামী মাসে নির্বাচন দেন। আমি নির্বাচিত না হইতে পারি, আমার কোন সমস্যা নাই। জনগণ যাকে ভোট দিবে, সে নির্বাচিত হয়ে আমার প্রতিনিধিত্ব করবে। আমার এটাতে কোন আপত্তি নাই। প্রয়োজনে আগামী মাসে নির্বাচন হবে। কিন্তু তার আগে খেলার নিয়মটাকে চেঞ্জ করতে হবে। এজন্য আমাদের লাগবে একটা নতুন সংবিধান। শুক্রবার রাতে কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার এলাহাবাদ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামে দেবিদ্বার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টি আয়োজিত ‘উঠানে রাজনীতি’ শীর্ষক একটি উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।      

 

হাসনাত আব্দুল্লাহ আরো বলেন, সামনে যে নির্বাচন হবে, এই নির্বাচনের আগে আমাদের কিছু শর্ত আছে। নির্বাচনের আগে নিশ্চিত করতে হবে, আপনি আর কোন নির্দিষ্ট দলের পক্ষে খেলবেন না। এটা রাষ্ট্র সংস্কার। এখানে লক্ষ-লক্ষ, হাজার-হাজার মানুষের রক্ত জড়িত। এখানে কোন মুখের কথায় আমরা বিশ্বাস করি না। এইখানে সবকিছু লিখিত হইতে হবে। এইগুলোর আইনগত ভিত্তি হইতে হবে। যাতে করে যদি কেউ এই নিয়ম ভাঙে, তাকে যেন পরবর্তী প্রজন্ম চোখে আঙ্গুল দিয়ে ধরতে পারে। সুতরাং, এই যে আলোচনা চলতেছে- এগুলোর লিখিত নিয়ম লাগবে। এটা এনসিপি, বিএনপি, জামাত কারো পক্ষে দরকার নেই, এটা বাংলাদেশের পক্ষে হোক। বিগত সময়ের খেলায় আওয়ামী লীগের পক্ষে রেফারিও গোল দিয়েছে। ওসি-ইউএনও সকলেই আওয়ামী লীগের পক্ষে খেলছে। এ খেলায় যারা ভোট দিতে পারছে, তারা ৪৫-৬০টা করে ভোট দিয়েছে। এর পাহারায় ছিল ওসি এবং ঘোষণা করছে ইউএনও। এখন আমাদের এই খেলার নিয়মটা চেঞ্জ করতে হবে।  

দেবিদ্বার উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির আহবায়ক জামাল মোহাম্মদ কবীরের সভাপতিত্বে ওই বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব এস.এম সাইফ মোস্তাফিজ, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ডা. মাহমুদা আলম মিতু প্রমুখ।