Image description

সাভারে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলি করে হত্যা মামলার আসামি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে আজবৃহস্পতিবার ভোরে সাভার মডেল থানা পুলিশ সাভারের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

 

গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর আত্মগোপনে চলে যান সোহেল রানা।

পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে সোহেল রানা জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে ‘ভারতে আছেন’ মর্মে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিষাদগার করে আসছিলেন। তিনি সাভার সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।

সোহেল রানার বিরুদ্ধে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সাভারে ছাত্র-জনতাকে গুলি করে হত্যা এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে।

ধামরাইয়ের রোয়াইল ইউনিয়নের ফরিঙ্গা গ্রামের মোহাম্মদ আলী ওরফে আহম্মদ আলীর ছেলে সোহেল রানা। তিনি সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীবের ঘনিষ্ঠ অনুসারী ছিলেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল মিঞা গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোহেল রানা ছিলেন সাভারের ত্রাস।ধর্ষণের ঘটনায় তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হলেও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুযোগে আওয়ামী লীগের আমলে তিনি ছিলেন বেপরোয়া এবং ধরাছোঁয়ার বাইরে।

তাকে ১০ দিনের রিমান্ড প্রার্থনা করে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা।