সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে পৃথক মিছিল বের করাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা সদরের থানা ভবনের সামনের সড়কে এ সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিবসটি উপলক্ষে শনিবার দুপুরে জামালগঞ্জ উপজেলা সদরে বিএনপির বিবদমান দুই পক্ষ পৃথক মিছিল বের করে। মিছিল দুটি থানার সামনের সড়কে মুখোমুখি হলে এক পক্ষ অন্য পক্ষকে পথ ছেড়ে দিতে রাজি হয়নি। এ নিয়ে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও এর মধ্যেই দুই পক্ষের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়া শুরু হয়। পরে লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ান উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীরা। এতে পাঁচজন আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুর রহমান, কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান ও জুলফিকার চৌধুরীসহ কয়েকজন এক পক্ষে রয়েছেন। অন্য পক্ষে আছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম মাহমুদ তালুকদার ও আবদুল মালিকসহ অন্যরা।
মাসুম মাহমুদ তালুকদার বলেন, আমাদের মিছিল শান্তিপূর্ণ ছিল। এতে চারজন যুগ্ম আহ্বায়কসহ বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের অসংখ্য নেতা-কর্মী অংশ নেন। অন্য পক্ষের লোকজন আমাদের মিছিলের পথ আটকে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান। এতে আমাদের তিন থেকে চারজন আহত হয়েছেন।
অন্য পক্ষের উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য জুলফিকার চৌধুরী বলেন, তারা মিছিল শেষে উপজেলা পার্কে সমাবেশ করছিলেন। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে গিয়ে মিছিল ও স্লোগান দিতে শুরু করেন। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং পরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।ঘড়ি কিনুন
জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী বলেন, দুটি মিছিল মুখোমুখি হওয়ার পরই পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও মারামারি হয়। বিকেল পর্যন্ত দুই পক্ষ দুই জায়গায় অবস্থান করছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।