Image description

‘নাটোরের এমপিকে যদি পদত্যাগ করাতে পারেন, তবেই ছাত্রদল স্বরুপে ফিরবে’ বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মামুন খান। তিনি বলেছেন, ‘আপনাদের জোরালো আওয়াজ উঠাতে ভয় কিসের? সবাই আওয়াজ উঠাও।’ নাটোরের গুরুদাসপুর পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলামকে হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে সোমবার (২৮ অক্টোবর) ফেসবুক পোস্টে এসব কথা বলেছেন তিনি।

ছাত্রদল নেতা শাকিলকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান মিন্টুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি নাটোর-৪ (বড়াইগ্রাম-গুরুদাসপুর) আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য আব্দুল আজিজের ছেলে। ঘটনার পর থেকে বিএনপির এই এমপিরও পদত্যাগের দাবি উঠেছে।

মামুন খান এর আগে এক পোস্টে লেখেন, ‘সহযোদ্ধা ছোট ভাই শাকিল রাজপথে ঘাম ও রক্ত দিয়ে হাসিনাকে বিদায় করতে ভূমিকা রেখেছিল ৪ আগষ্টের ছবিটা তার জ্বলন্ত প্রমাণ। তার দল সরকার গঠন করেছে, সেই দলের এমপি পুত্র তাকে খুন করেছে।’ 

‘এরকম আরও বেশ কয়েকজন এমপি মন্ত্রী পুত্র/ভাই/শালা/সুমুন্দিরা বেপরোয়া হয়ে আছে তারা যেকোনো মুহুর্তে যে কাউকে খুন করলেও করতে পারে। তাদের চলার পথে আপনি অধিকার নিয়ে পথ আগলে দাঁড়ালেই আপনিও শাকিল এর মতো ভাগ্য বরণ করবেন’, যোগ করেন তিনি।

ছাত্রদলের সাবেক এই নেতা আরও বলেন, ‘একটাই পথ খেয়ে পরে বাঁচতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে এগিয়ে যেতে হবে। নতুবা আপনার আমার কপালে অনেক দুঃখ আছে।’

ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম গুরুদাসপুর পৌর সদরের কাছারিপাড়া এলাকার রবিউল করিম মিস্ত্রির ছেলে। গত ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার চাঁচকৈড় বাজারপাড়া এলাকায় দুর্বৃত্তদের হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাতে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় এমপির ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে নাটোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে। আদালত তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।