Image description

আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি)র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৭৮ সালের এই দিনে চরম রাজনৈতিক সংকটে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশ, জনগণ এবং গণতন্ত্রের প্রয়োজনে এই গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ছিলেন দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। সঠিক রাজনীতি, যথাযথ সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচির কারণে বহু ঘাত-প্রতিঘাত ও চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেও বারবার ফিনিক্স পাখির মতো ঘুরে দাঁড়িয়েছে বিএনপি। প্রতিষ্ঠার মাত্র চার বছরের মাথায় দলের চেয়ারম্যান রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবরণের পর দলের হাল ধরেন তাঁরই সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া। স্রেফ গৃহবধূ থেকে রাজনীতিতে আসা খালেদা জিয়ার মুষ্টিবদ্ধ হাতেই মূলত  বিএনপি ঘুরে দাঁড়ায় এবং সুসংগঠিত ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তার পরও ষড়যন্ত্র পিছু ছাড়েনি বিএনপির। ২০০৮ সালে ওয়ান-ইলেভেনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দেড় যুগের আন্দোলনে শত নিপীড়ন, নির্যাতন, মামলা-হামলা সহ্য করে, বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবারও জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করেছে।

প্রতিষ্ঠার চার যুগপূর্তিতে সার্বিক পরিস্থিতিতে বর্তমানে দশটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে ক্ষমতাসীন বিএনপিকে। এরমধ্যে দলীয়ভাবে পাঁচটি বৃহৎ চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। সেগুলো যথাক্রমে, দল ও সরকারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা, দলীয় শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা, দলের ভিতরে নতুন ও পুরোনো নেতৃত্বের সমন্বয় সাধন, ব্যাপকভিত্তিক জনসম্পৃক্ততা ধরে রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন ও জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠান। 

অন্যদিকে রাষ্ট্রক্ষমতা ও বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সরকারের সামনে রয়েছে দৃশ্যত : আরও পাঁচটি বড় চ্যালেঞ্জ। তার মধ্যে আছে : অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি কমানো, রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করে অর্থনীতিকে গতিশীল রাখা। সুশাসন ও প্রশাসনিক সংস্কার। এর আওতায় রাষ্ট্রের সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দূর করা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বাস্তবায়ন করা। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান। দলের ভিতরে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমমনা ও যুগপতের শরিক দলগুলোর সঙ্গে রাজনৈতিক ঐক্যের মেলবন্ধন ধরে রাখা। জনগণের প্রত্যাশা পূরণ। দীর্ঘ সময় পর ক্ষমতায় এসে জনগণের মাঝে দ্রুত পরিবর্তন ও সেবার লাভের উচ্চাশা তৈরি হয়েছে। তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কাজ করা। ৫. আইনশৃঙ্খলা ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা স্থিতিশীলতা আনা। অর্থাৎ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে বিএনপির ওপর সরকারের চ্যালেঞ্জের প্রভাবও পড়ে থাকে। ফলে সরকারকে বিএনপি কীভাবে সহযোগিতা করবে সেই বিষয়ও বিবেচ্য।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মী, শুভানুধ্যায়ী এবং দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাহস, সংগ্রাম, ত্যাগ আর সাফল্যের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দিনটি বাংলাদেশি মানুষের জন্য আনন্দ, উদ্দীপনা ও প্রেরণার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালের এই দিনে এক শুভ বিকেলে ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে (রমনা রেস্তোরাঁ প্রাঙ্গণে) বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার ইতিহাসে বিএনপির প্রতিষ্ঠা ছিল একটি যুগান্তকারী ঘটনা।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, সঠিক রাজনীতি এবং যথাযথ সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি বিএনপিকে শত চক্রান্ত-ষড়যন্ত্র প্রতিকূল পরিবেশেও টিকিয়ে রেখেছে। বিএনপি শুধু টিকেই থাকেনি- দেশের জনগণ যখনই স্বাধীনভাবে রায় দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন- তখনই বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেছেন। তার সর্বশেষ প্রমাণ হলো- চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনি বলেন, আজ থেকে ৪০ বছর আগে তার একটি অন্যতম কারণ হলো বিএনপি সবসময়ই জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের চেষ্টা করেছে। কখনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেনি।

বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নতুন এ দল গড়ার আগে ’৭৫-এর আগস্ট-পরবর্তী সংকটময় দশা থেকে দেশের রাজনীতি, সমাজ, অন্যতম প্রতিষ্ঠান সামরিক বাহিনীকে সুশৃঙ্খল করা এবং সরকার ও রাষ্ট্র প্রশাসনকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় ফিরিয়ে নেওয়া এবং নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশকে একটা সুস্থ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের যথার্থ উন্নয়নের ধারায় নিয়ে যেতে ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর আদর্শ সুপ্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে গেছেন আজীবন। তাঁর সেই ভূমিকাই বিএনপিকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অন্যতম সেরা রাজনৈতিক দলের মর্যাদা লাভ করিয়েছে। বাংলাদেশের আজকের যে উন্নয়ন সাফল্য দৃশ্যমান তার আসল রূপকার হচ্ছেন সত্তর দশকের মধ্যভাগ থেকে শেষ ভাগ এবং আশির প্রথম ভাগের রাষ্ট্রনেতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন ঘোষণাপত্রে দেশের গণমানুষের ইস্পাতকঠিন গণঐক্যের ওপরে গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছিল‘সুদৃঢ় এবং অভেদ্য জাতীয় ঐক্যবোধ এবং জাতীয় অর্থনৈতিক স্বয়ংসম্পূর্ণতা না থাকলে সাম্রাজ্যবাদ, সম্প্রসারণবাদ ও নয়া-উপনিবেশবাদের গ্রাস থেকে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষা করা দুঃসাধ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এসএমএ ফায়েজ বিএনপিকে চার যুগ পূর্তির উষ্ণ অভিনন্দনজ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৮ বছর ধরে নানা ঘাত-প্রতিঘাত, অনুকূল-প্রতিকূল পরিবেশ এবং রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দলটি এগিয়ে এসেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন একজন আপসহীন নেত্রী। দেশ ও মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং জনগণের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ ও নির্ভীক সংগ্রাম তাঁকে নিয়ে গেছে এক অনন্য উচ্চতায়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর দেশ ও গণতন্ত্রের প্রয়োজনেই বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের আদর্শের ভিত্তিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। একদলীয় বাকশালের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এটি ছিল তাঁর একটি সময়োপযোগী ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে আরও বলেন, মানুষের বাকস্বাধীনতা, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি অভিশপ্ত একদলীয় ‘বাকশাল’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে এসে প্রথমেই দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দলগুলোর রাজনীতি করার অধিকার ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় সময়ের প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে বহুমাত্রিক গণতন্ত্রের নতুন করে পথচলা শুরু হয়। তারেক রহমান বলেন, বিএনপির অপর নাম একটি জনকল্যাণমূলক, গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম। দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে স্বাধীনতার মহান ঘোষক, সফল রাষ্ট্রনায়ক ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব দিয়ে বিএনপিকে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন। দেশে গণতন্ত্র সমুন্নত রাখা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য বিএনপির উদ্যম ও উদ্যোগের ফলে দলটি দেশবাসীর কাছে এখন সর্বাধিক জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল। তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসন-শোষণের অবসানের পর একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। তিনি বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখে বিএনপির প্রতিটি নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভার্থী দেশমাতৃকার সেবায় নিজেদের নিবেদন করে আগামী দিনগুলোতেও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবে ইনশাল্লাহ। দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস।

কর্মসূচি : বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পাঁচ দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে দলটি। কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ১ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ দেশব্যাপী দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৯টায় বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতারা ও সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে ফাতেহা পাঠ ও পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর বেলা ৩টায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন-বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দলের সিনিয়র নেতারাসহ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীরা এতে অংশ নেবেন। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশ করা হবে।

এ ছাড়া বৃক্ষরোপণ ও মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। মৎস্য অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেল। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেবেন দলের যুগ্ম মহাসচিব ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। অনুরূপভাবে সারা দেশে জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং এর ইউনিটগুলো ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সুবিধাজনক সময়ে আলোচনা সভা এবং অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে।