Image description

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ লাইন্সে উচ্চস্বরে গানবাজনাকে কেন্দ্র করে মাদ্রাসাছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের লাঠিচার্জ ও ছররা গুলি নিক্ষেপের অভিযোগ তুলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস (বিকেএম)। ঘটনাটিকে ‘পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রতিশোধমূলক অপচেষ্টা’ আখ্যায়িত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে দলটি।

বুধবার (১৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ এ দাবি জানান।

মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাদ্রাসাছাত্রদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনা পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তির প্রতিশোধমূলক অপচেষ্টা। পরীক্ষার্থী শিক্ষার্থীরা কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পুলিশ লাইন্সে যায়নি। পরীক্ষার প্রস্তুতির স্বার্থে উচ্চশব্দে গানবাজনা বন্ধ করা বা সাউন্ড কমানোর অনুরোধ জানাতেই তারা সেখানে গিয়েছিল।’ কিন্তু তাদের কথা শোনার পরিবর্তে পুলিশের একটি অংশ নির্বিচারে লাঠিচার্জ ও ছররা গুলি নিক্ষেপ করে বলে তিনি দাবি করেন। এতে কিশোর ও শিশু শিক্ষার্থীসহ অনেকে আহত হয়েছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

 

তিনি বলেন, ‘পুলিশের এমন ন্যক্কারজনক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’

পুলিশ প্রশাসনের ভেতরে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রতি আনুগত্যশীল কোনো গোষ্ঠী এখনো সক্রিয় আছে কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়ে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ আরও বলেন, ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনাটি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করতে হবে। দায়ী পুলিশ সদস্যদের চিহ্নিত করে দ্রুত বরখাস্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

একই সঙ্গে দায়িত্বে থাকা পুলিশ লাইন্সের ইনচার্জের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। নতুন বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জনগণের নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

বিবৃতিটি গণমাধ্যমে পাঠান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সমন্বয়ক হাসান জনাইদ।

কালবেলা