Image description

সভা, সেমিনার, কনভেনশন কিংবা দলীয় কার্যালয়কেন্দ্রিক কর্মসূচি বা সংবাদ সম্মেলন—এটাই এত দিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাংগঠনিক কার্যক্রমের পরিচিত রূপ ছিল। এবার সেই ধারায় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে দলটি। আসন্ন ঈদুল আজহার পর থেকে মাঠপর্যায়ে বেশি সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনা করছে এনসিপি। দ্রব্যমূল্য, জ্বালানি, নাগরিক সেবা, শ্রমিক ও পেশাজীবী মানুষের অধিকারসহ জনজীবনের নানা ইস্যুতে দলটির নেতাদের সোচ্চার দেখা যেতে পারে।

এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের চারজন নেতার সঙ্গে কথা বলে দলটির কার্যক্রমে আসন্ন এই পরিবর্তন সম্পর্কে ধারণা পাওয়া গেছে। তাঁদের ভাষ্য, রাজনীতিতে এককভাবে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করাই এখন দলের প্রধান লক্ষ্য। স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে সেই লক্ষ্যেই মাঠের রাজনীতিতে সক্রিয়তা বাড়াতে চাইছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে উঠে আসা দলটি।

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামও গত শনিবার দলের যুবসংগঠন জাতীয় যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে একই ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সংগঠনটিকে ‘ইনডোর’ কর্মসূচি কমিয়ে ঈদের পর থেকে মাঠের কর্মসূচিতে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

ঈদের পরে সংস্কার ও জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠে সক্রিয় হবে এনসিপি
আরিফুল ইসলাম আদীব, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক, এনসিপি

এনসিপির দায়িত্বশীল দুজন নেতার ভাষ্য, ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে এনসিপি মূলত সংস্কার ও বিচারকে কেন্দ্র করেই অধিকাংশ কর্মসূচি করেছে। কিন্তু জ্বালানি তেল ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, নাগরিক সেবা পেতে দুর্ভোগ, শ্রমিক ও পেশাজীবী মানুষের অধিকারসহ মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের সমস্যাগুলো নিয়ে মাঠপর্যায়ে দলের কর্মসূচি তুলনামূলক কম ছিল। তাঁদের মতে, জনগণের দল হয়ে উঠতে হলে জনগণের দৈনন্দিন সংকটের সঙ্গেও থাকতে হবে।

এনসিপির একজন নীতিনির্ধারকের মূল্যায়ন, বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিরোধী দলগুলো জনগণের দৈনন্দিন সংকট নিয়ে প্রত্যাশিত মাত্রায় সোচ্চার ছিল না। এই রাজনৈতিক সুযোগ কাজে লাগাতে চায় এনসিপি। দলটির সংসদে প্রতিনিধিত্ব আছে, জাতীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন নেতাও রয়েছেন এই দলে। মাঠে সক্রিয়তা বাড়িয়ে নাগরিকজীবনের সমস্যা নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কথা বলতে পারলে দ্রুতই জনগণের ভরসার একটা জায়গায় যাওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন দলটির নেতারা।

জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ফাইল ছবি: রয়টার্স

দলের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঈদের পর থেকে জনগণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আমরা মাঠপর্যায়ে নামব, ভয়েস রেইজ করব। রাজনীতিতে এককভাবে একটা অবস্থান তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।’

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, ‘ঈদের পরে সংস্কার ও জনসম্পৃক্ত বিভিন্ন ইস্যুতে মাঠে সক্রিয় হবে এনসিপি।’

জোটের ভবিষ্যৎ কী

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা এনসিপি গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য থেকে অংশ নিয়েছিল। ৩০টি আসনে প্রার্থী দিয়ে ৬টিতে জয় পায় দলটি। এ ছাড়া ১৭টি আসনে এনসিপির প্রার্থীরা জয়ী বিএনপি প্রার্থীদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হন।

এখন এনসিপির লক্ষ্য আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন। তবে দলটি এই নির্বাচন এককভাবে করবে, নাকি ১১-দলীয় ঐক্যের অংশ হিসেবে অংশ নেবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। সরকারের দিক থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, চলতি বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে। এই নির্বাচনকে নিজেদের সাংগঠনিক বিস্তারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে এনসিপি।

গত ১৬ মে এনসিপির যুব সংগঠন যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম
গত ১৬ মে এনসিপির যুব সংগঠন যুবশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামফাইল ছবি: প্রথম আলো

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে এনসিপি এখন সাংগঠনিক পুনর্গঠন ও দল সম্প্রসারণে মনোযোগ দিয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত এপ্রিল থেকে কয়েক দফায় বেশ কয়েকজন আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা ইসহাক সরকার এবং জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে মোহাম্মদ নাদিমুর রহমানও রয়েছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দলে টানতে চাইছে এনসিপি। এমনকি কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী অপরাধে জড়িত নন, তাঁদেরও দলে নেওয়ার বিষয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা আছে। তাঁদের মধ্যে সাংগঠনিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী করার চিন্তাও আছে।

এ ছাড়া জামায়াতসহ ১১ দলের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতায় যুক্ত হওয়াকে কেন্দ্র করে সংসদ নির্বাচনের আগে এনসিপি থেকে পদত্যাগ করা নেতাদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখছে দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব। তখন অন্তত ১৭ জন নেতা পদত্যাগ করেছিলেন। তবে দলীয় সূত্র বলছে, তাঁদের অধিকাংশের এনসিপিতে ফেরার সম্ভাবনা কম।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক এনসিপি সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যেতে আগ্রহী নয়। দলটি সংবিধান সংশোধন নয়, সংবিধান সংস্কারের পক্ষে। এনসিপির অবস্থান হচ্ছে, সংবিধান সংস্কার হতে হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে। দলটির যুক্তি, সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে সংশোধন করলে তা সীমিত পরিবর্তন হবে; কিন্তু গণভোটের রায় অনুযায়ী মৌলিক সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ দরকার।

এর বাইরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এনসিপির শীর্ষ নেতাদের ঘনিষ্ঠ হলেও দলে যোগ দেননি। তিনি ‘অলটারনেটিভস’ নামে নতুন একটি প্ল্যাটফর্ম গঠন করেছেন। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে আওয়ামী লীগকে নিয়ে দেওয়া এক পোস্টের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন মাহফুজ। সেই পোস্টের সারমর্ম হচ্ছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগ কার্যত দেশের রাজনীতিতে ফিরে এসেছে। এই যুক্তির পক্ষে কিছু প্রাসঙ্গিক ঘটনা তুলে ধরেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিয়াজোঁ কমিটির সাবেক এই সদস্য। মাহফুজ হঠাৎ এমন পোস্ট কেন দিলেন— বিষয়টি তাঁর একসময়ের রাজনৈতিক সহচর এনসিপির নেতারাও জানা-বোঝার চেষ্টা করছেন।

এনসিপি গত ২৯ মার্চ সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশনসহ দেশের পাঁচটি সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করেছে। পরে ১০ মে দেশের ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় নির্বাচনের জন্যও দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দলটি।

তবে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে প্রার্থিতা নিয়ে এনসিপি ও জামায়াতের মধ্যে টানাপোড়েনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এনসিপি সেখানে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে প্রার্থী করেছে।  জামায়াত সেখানে প্রার্থী হিসেবে ডাকসুর ভিপি মো. আবু সাদিককে চূড়ান্ত করেছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই ছাত্রনেতার সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনা হচ্ছে।

এনসিপির সূত্রগুলো বলছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রার্থিতা ঘিরে জামায়াতের সঙ্গে টানাপোড়েন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট না হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। তবে আপাতত এককভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং নির্বাচনের আগে জোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া—এটাই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে এনসিপির অবস্থান।

সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদীয় দলের বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা যুক্ত থাকছেন
সংসদে বিরোধীদলীয় সংসদীয় দলের বৈঠকে জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যরা যুক্ত থাকছেনফাইল ছবি

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের অন্যতম সদস্য আরিফুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তাঁরা নিজেদের মতো প্রস্তুতি নিচ্ছেন। জোট হবে কি না, সে বিষয়ে নির্বাচনের আগে সিদ্ধান্ত হবে।

দলের শীর্ষস্থানীয় একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘১১-দলীয় ঐক্য ছিল জাতীয় নির্বাচনের জোট। এখন সংসদে বিরোধী জোট হিসেবে এটি কাজ করছে। মূলত সংস্কার প্রশ্নে এটি জাতীয় সংসদের জোট। স্থানীয় সরকারে জোট হতে হলে নতুনভাবে হতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে আমরা কোনো জোট করিনি। আমরা এককভাবে এগোচ্ছি। তারা (জামায়াত) কী চায়, জানি না। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে এখনো কথা হয়নি।’

সংবিধান সংশোধন কমিটিতে ‘যাচ্ছে না’ এনসিপি

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শেষ দিকে, ২৯ এপ্রিল সংবিধান সংশোধনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এ কমিটিতে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে পাঁচজনের নাম দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তবে সেদিন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছিলেন, কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তাঁদের ধারণাগত ভিন্নতা আছে। তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরে সিদ্ধান্ত জানাবেন।

দলীয় সূত্র বলছে, বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের দলে টানতে চাইছে এনসিপি। এমনকি কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের যেসব নেতা-কর্মী অপরাধে জড়িত নন, তাঁদেরও দলে নেওয়ার বিষয়ে দলটির ভেতরে আলোচনা আছে। তাঁদের মধ্যে সাংগঠনিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী করার চিন্তাও আছে।

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক এনসিপি সংবিধান সংশোধন কমিটিতে যেতে আগ্রহী নয়। দলটি সংবিধান সংশোধন নয়, সংবিধান সংস্কারের পক্ষে। এনসিপির অবস্থান হচ্ছে, সংবিধান সংস্কার হতে হবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে। দলটির যুক্তি, সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে সংশোধন করলে তা সীমিত পরিবর্তন হবে; কিন্তু গণভোটের রায় অনুযায়ী মৌলিক সংস্কারের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ দরকার।

সংস্কারের জন্য গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াত, এনসিপিসহ ১১ দল ধারাবাহিক কর্মসূচিতে আছে। সম্প্রতি এক সংলাপে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তনের জন্য সংবিধান সংস্কার পরিষদ জরুরি। এখন তাঁরা উচ্চকক্ষের গঠন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়োগ, দুদক ও নির্বাচন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ এবং স্বাধীন বিচার বিভাগের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

প্রস্তাবিত সংবিধান সংশোধন কমিটিতে অংশ নেওয়া না নেওয়ার বিষয়ে জামায়াতের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তবে এনসিপির একজন নীতিনির্ধারক ও সংসদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘সংবিধান সংশোধন কমিটিতে আমরা অংশ নিচ্ছি না।’

স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং সংবিধান সংস্কার প্রশ্ন—এই তিন ইস্যু এখন এনসিপির সামনে বড় রাজনৈতিক পরীক্ষা। ঈদের পর মাঠে সক্রিয় হওয়ার পরিকল্পনার মধ্য দিয়ে দলটি একদিকে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে চাইছে, অন্যদিকে জোটের ভেতর থেকেও নিজের আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে চাইছে।