গভীর অন্ধকারের দিকে ধাবিত হচ্ছে আমাদের দেশ। মনুষ্যত্ব, বিবেক আর মানবতাবোধ যেন ক্রমেই বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। কতটা নৃশংস হলে মানুষ রামিশার মতো ছোট্ট শিশুদেরও পৈশাচিক নির্যাতন এবং হত্যা করতে পারে?
কথা ছিল আমরা এই পৃথিবীটাকে মানুষের বাসযোগ্য করে তুলবো। কিন্তু চোখের সামনে নারী-পুরুষ, শিশু-বৃদ্ধ নির্বিশেষে প্রতিনিয়ত নৃশংসতার শিকার হচ্ছেন। কোথাও প্রতিবেশীর হাতে প্রতিবেশী, কোথাও ভাইয়ের হাতে বোন, কোথাও বাবার হাতে সন্তান লালসার শিকার হচ্ছে। এমনকি ‘ঢাকা থেকে আসা বড় নেতার মনোরঞ্জনের’ বলিও হতে হচ্ছে গ্রামের কোনো নিষ্পাপ শিশুকে!
এই অপরাধীদের থামানোর কি কেউ নেই? আমাদের রাষ্ট্র, আইন, বিচারব্যবস্থা আছে; তবে কি এই ব্যবস্থা নাগরিকদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ? নাকি বিদ্যমান এই কাঠামোই আবারও হয়ে উঠছে শোষণ-নিপীড়নের হাতিয়ার!
ন্যায়বিচারে ব্যর্থতা রাষ্ট্রীয় অবিচারেরই নামান্তর। ধর্ষণ ও খু'নের বিচার না হওয়া কার্যত রাষ্ট্রের ‘নিপীড়ক’ হয়ে ওঠারই লক্ষণ। যে রাষ্ট্র কার্যকারিতা হারায়, তার মেরামত জরুরি হয়ে ওঠে। আমাদের কথা বলতে হবে, আওয়াজ তুলতে হবে; ন্যায়ের জন্য, ইনসাফের জন্য। এবং আমাদের সংগ্রাম করতে হবে একটি নিরাপদ দেশ ও দুনিয়া বিনির্মাণের জন্য।
