জামালপুরের ইসলামপুরে বিস্ফোরক মামলায় হাজিরা দিতে এসে কারাগারে যেতে হলো আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মীকে। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, যুব লীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন রয়েছেন।
রোববার (২৯ মার্চ ) দুপুর ১২টায় জামালপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তারা। এ সময় আদালতের বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান শুনানি শেষে তাদের জামিন না মন্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
জানা গেছে, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪ সালে ইসলামপুর উপজেলার গোয়ালেরচর সভারচর গ্রামের মো. হাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ইসলামপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। সে মামলায় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ১২৮ জন নেতাকর্মী আসামি করা হয়।। এছাড়াও মামলায় ২০০/২২০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়। ইসলামপুর থানা পুলিশ তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।
রোববার ১০জন আসামি জামিন চেয়ে জামালপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে বিচারক তাদের জামিন না মন্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
আসামিদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, যুব লীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন, গোয়ালেরচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন মন্ডল, মনজুরুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন রয়েছেন।
জামালপুরের ইসলামপুরে বিস্ফোরক মামলায় হাজিরা দিতে এসে কারাগারে যেতে হলো আওয়ামী লীগের ১০ নেতাকর্মীকে। তাদের মধ্যে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান খলিল, যুব লীগের সভাপতি হারুনুর রশিদ হারুন রয়েছেন।