দেশে চলমান জ্বালানি তেল সরবরাহ পরিস্থিতির মধ্যে পেট্রোল ও অকটেনের ডিপো পর্যায়ে সরবরাহ দ্রুত উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটারস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির দাবি, এই দুই ধরনের জ্বালানি উন্মুক্ত করা হলে পাম্পে ভিড় কমবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হওয়া উদ্বেগও অনেকটা কমে যাবে।
মঙ্গলবার সংগঠনের আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানের কাছে এ দাবি জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে পরিস্থিতি সামাল দিতে বিভিন্ন ডিপো থেকে পেট্রোল ও অকটেন সরবরাহে প্রায় ২৫ শতাংশ রেশনিং করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক পাম্পে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে না। একই সঙ্গে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় অনেক জায়গায় জ্বালানি নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
সংগঠনটির মতে, পেট্রোল ও অকটেনের বড় একটি অংশ দেশেই উৎপাদিত হয়। তাই ডিপো পর্যায়ে এই দুই জ্বালানির সরবরাহ উন্মুক্ত করা হলে পাম্পগুলোর ওপর চাপ কমবে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা ফিরবে। এতে বর্তমান সমস্যার প্রায় ৮০ শতাংশ সমাধান হয়ে যাবে বলেও দাবি করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়, পেট্রোল ও অকটেনের রেশনিং চালু থাকলে বর্তমান পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি সম্ভব নয়। তাই দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
পেট্রোল পাম্প মালিকদের এই সংগঠনটি জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী ও ট্যাংকার মালিকদের বড় একটি অংশ তাদের সংগঠনের আওতাভুক্ত। মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।