Image description

ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইসরাইল সংঘাতের ১১ দিন পার হলো মঙ্গলবার। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে চলমান এই সংঘাতের কারণে বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমান সংস্থাগুলো। এই দেশগুলোর ছয়টি বিমান সংস্থা প্রতিদিন ২ হাজার ৩৮১টি করে ফ্লাইট বাতিল করেছে; যার ফলে আটকা পড়েছে লাখ লাখ যাত্রী।

দশ দিনে মোট ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা ২৩ হাজার ৮১০টিতে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, ১ মার্চ থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত, মাত্র ৫০টি ফ্লাইট উড্ডয়ন করতে পেরেছে।

পাকিস্তানের গণমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রাপ্ত পরিসংখ্যান বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি বৃহত্তম বিমান সংস্থা ইতিহাদ, এয়ার এরাবিয়া, ফ্লাইদুবাই, কাতার এয়ারওয়েজ, এমিরেটস এবং কুয়েত এয়ারওয়েজ সম্মিলিতভাবে পাকিস্তান ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে প্রতিদিন লাখ লাখ যাত্রী পরিবহন করে।

যুদ্ধ শুরুর আগে কুয়েত এয়ারওয়েজ দৈনিক ২৮৫টি, ফ্লাইদুবাই ৩৪৩টি, এমিরেটস ৫৩১টি, ইতিহাদ এয়ারওয়েজ ৩৩৪টি, এয়ার এরাবিয়া ৩০৫টি এবং কাতার এয়ারওয়েজ ৫৮৩টি ফ্লাইট পরিচালনা করত, যা ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, মালয়েশিয়া, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, সৌদি আরব এবং অন্যান্য দেশে যাতায়াতকারী রুটে পরিষেবা প্রদান করে। তবে গত দশ দিনে ছয়টি এয়ারলাইনসের মাত্র ৫০টি বিশেষ ফ্লাইট ছেড়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ ইতোমধ্যে এই বিমান সংস্থাগুলোর কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করেছে।