দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার খবর- Iran won't block Bangladesh oil tankers, অর্থাৎ বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজে বাধা দেবে না ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ সরকার নানা কৌশলগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে শঙ্কা তৈরি হলে বাংলাদেশ ইরানের কাছে তেল ও এলএনজি বহনকারী জাহাজের নিরাপদ চলাচলের নিশ্চয়তা চায়।
জ্বালানি খাতের কর্মকর্তারা জানান, প্রণালিতে প্রবেশের আগে ইরানি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করলে বাংলাদেশি জাহাজগুলোকে ওই কৌশলগত জলপথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে তাৎক্ষণিক উদ্বেগ কিছুটা কমেছে।
এদিকে গতকাল সিঙ্গাপুর থেকে ২৭ হাজার টন ডিজেলবাহী একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহে আরও চারটি জাহাজে মোট এক লাখ ২০ হাজার ২০৫ টন জ্বালানি নিয়ে বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
বণিক বার্তা পত্রিকার খবর- মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়তে পারে।
দুই দেশের মোট বাণিজ্যের ৮৫ শতাংশই মূলত ভারত থেকে পণ্য আমদানি। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও এরই মধ্যে জ্বালানি পণ্য নিয়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
জানা গেছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভারতের কাছে বাড়তি ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দেয়ার পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ। আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি থেকে আজ বাংলাদেশে আসছে পাঁচ হাজার টন ডিজেল।
বিপিসি সূত্রে জানা গেছে, পাইপলাইনে করে এ ডিজেল বাংলাদেশে পৌঁছনোর কথা। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের বাণিজ্যনির্ভরতা আরো বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের প্রেক্ষাপটে সরকারের পক্ষ থেকে দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ থাকার কথা জানানো হয়েছে। নিয়মিত বাজার তদারকির পাশাপাশি জ্বালানি তেল, গ্যাস ও এলএনজির সরবরাহ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সরকার।
তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত যেদিকে মোড় নিচ্ছে তাতে সামনের দিনগুলোতে জ্বালানি পণ্যের পাশাপাশি খাদ্যপণ্যেরও সংকট তৈরি হতে পারে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।

যুগান্তর পত্রিকার খবর- দুই আসামিকে দেশে আনতে সরকারের প্রস্তুতি চূড়ান্ত।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেন ভারতে গ্রেফতার হওয়ার পর তাদের দেশে ফেরাতে সরকার উদ্যোগ জোরদার করেছে। বাংলাদেশ-ভারতের প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দুই আসামিকে ফিরিয়ে আনতে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি চিঠি প্রস্তুত করেছে। দু-এক দিনের মধ্যেই ভারত সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হস্তান্তর চেয়ে চিঠি পাঠানো হবে।
এদিকে আসামিদের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে কনসুলার অ্যাকসেস চেয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, দুই আসামিকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সোমবার কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এক সভা শেষে তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী তাদের ফেরানোর চেষ্টা চলছে।
এ ছাড়া পুলিশ মহাপরিদর্শক এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, আসামিদের দেশে আনার বিষয়ে কূটনৈতিক পর্যায়ে কাজ চলছে।

মানবজমিন পত্রিকার খবর- জ্বালানি তেলের ডিপোতে সেনা মোতায়েন।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা, অনিয়ম রোধ ও মনিটরে সরকার নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত দামে বিক্রি রোধে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
গতকাল এ নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়। এর আগে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে চিঠি দেয় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের প্রধান তেলের ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয় সরকার। সরবরাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে গঠন করা হয়েছে মনিটরিং সেল।
ডিসিদের কাছে পাঠানো মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধের লক্ষ্যে জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি, খোলাবাজারে বিক্রি বন্ধ ও পাচার রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ থেকে অনুরোধ জানানো হলো।

কালের কণ্ঠ পত্রিকার খবর- তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মজুদ দিয়ে উৎপাদন চলবে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত।
দেশে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মজুদ জ্বালানি দিয়ে সর্বোচ্চ আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন চালানো সম্ভব বলে জানিয়েছে বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনডিপেনডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইপিপিএ)।
সংগঠনটি বলেছে, বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে। এসব কেন্দ্র বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
গতকাল সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি ডেভিড হাসনাত ও সাবেক সভাপতি ইমরান করিম।
এ সম্মেলনে বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতি, জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য ও পরিসংখ্যানও তুলে ধরা হয়।
ইমরান করিম বলেন, প্রায় সাত দিন আগে পর্যন্ত বেসরকারি খাতের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে মোট এক লাখ ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল মজুদ ছিল। এর মধ্যে দুই থেকে তিনটি প্রতিষ্ঠানের কাছেই প্রায় ৫৫ হাজার টন তেল রয়েছে। বাকি তেল বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে ছড়িয়ে রয়েছে।

প্রথম আলো পত্রিকার খবর- জামিনের জন্য এক কোটি টাকা চান প্রসিকিউটর।
আওয়ামী লীগের এক কারাবন্দী সাবেক রাজনীতিককে জামিনে মুক্তি পাইয়ে দেওয়ার জন্য তাঁর পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এক প্রসিকিউটর—এমন তথ্য হোয়াটসঅ্যাপের একাধিক অডিও রেকর্ডিংয়ে পাওয়া গেছে। রেকর্ডিংগুলো সংগ্রহ করেছে প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ।
এসব রেকর্ডিংয়ে চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীর মামলায় দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদারের কথোপকথন রয়েছে। জামিনের বিষয়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে ফজলে করিম চৌধুরীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন। প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ রেকর্ডিংগুলো যাচাই করেছে।
ফজলে করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে জড়িত থেকে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। একটি রেকর্ড করা কলের কথোপকথনে সাইমুম রেজা তালুকদার বলেন, যদি তিনি শেষ পর্যন্ত ফজলে করিম চৌধুরীকে মুক্ত করতে পারেন, তাহলে 'ভালো অঙ্কের' টাকা দিতে হবে। সেখানে তিনি এক কোটি টাকার কথা উল্লেখ করেন এবং অগ্রিম হিসেবে ১০ লাখ টাকা নগদ দেওয়ার কথাও বলেন।

নয়া দিগন্ত পত্রিকার খবর- পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে নতুন সরকার।
পরিবর্তনের বার্তা দিচ্ছে নতুন সরকার। যেন স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশের সূচনা। নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একের পর এক চমকপ্রদ পদেেপ বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে নতুন এক দিগন্তের দিকে। দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর জনতার প্রত্যাশা ও স্বপ্ন পূরণের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে বিএনপি সরকারের হাত ধরে- এমনটাই মনে করছেন অনেক পর্যবেক।
দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যেন এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। জনতার আশা-আকাক্সাকে সামনে রেখে শুরু হয়েছে নতুন বাংলাদেশ গড়ার অভিযাত্রা। এই যাত্রার নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্লেষকদের মতে, সরকার গঠনের পর থেকেই তার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থায় নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

নিউ এইজ পত্রিকার প্রধান খবর- Govt to place 133 ordinances before JS on March 12 অর্থাৎ ১২ মার্চ সংসদে ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করবে সরকার।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান আগামী ১২ মার্চ জাতীয় সংসদে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ উত্থাপন করতে যাচ্ছেন। সংসদ অধিবেশন না থাকায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান মুহাম্মদ ইউনূসের সময় সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতি এসব অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এসবের মধ্যে ২০২৪ সালে জারি হয়েছে ১৭টি, ২০২৫ সালে ৮০টি এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৩৬টি। এছাড়া "জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫" নামে একটি রাষ্ট্রপতির আদেশও জারি করা হয়েছিল।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী কেবল অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করতে হয়; রাষ্ট্রপতির আদেশ উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা নেই। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সংবিধানে এ ধরনের আদেশ সংসদে তোলার কোনো বিধান না থাকায় এটি উপস্থাপন করা হবে না।

আজকের পত্রিকার খবর- শুরুতে কার্ড পাচ্ছে ৩৭,৫৬৪ পরিবার।
নারীর ক্ষমতায়ন , অধিকার , মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা জোরদার করতে পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ' ফ্যামিলি কার্ড ' চালু করতে যাচ্ছে সরকার ।
পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৩৭ হাজার ৫৬৪ টি পরিবারকে এই কার্ড দেওয়া হবে । সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের মিলনায়তনে গতকাল সোমবার সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় , আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন ।
সংবাদ সম্মেলনে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন , অর্থনৈতিক অগ্রগতির সুফল সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতেই ' ফ্যামিলি কার্ড " কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে ।
শুরুতে কার্ড পাচ্ছে ৩৭,৫৬৪ পরিবার, ৫৬৪ নারীকে কার্ড দেওয়া হবে । পাইলট পর্যায়ে তাঁরা মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন ।
পরবর্তী সময়ে সমমূল্যের খাদ্যসহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে । পাইলট কর্মসূচি দেশের ১৩ টি জেলার ১৩ টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫ টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়ন করা হবে । সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে এই ভাতা দেওয়া হবে

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর- থানায় ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা।
দেশের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে পুলিশ। দেশের প্রতিটি থানাই হবে সত্যিকারের সেবাকেন্দ্র। থানায় আসা লোকজনের হয়রানি কমাতে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তাছাড়া আরও কিছু প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে সরকারের কাছে। ইতিমধ্যে চাঁদাবাজদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। যেকোনো কাজ করতে পুলিশকে সময় দিতেই হবে। তাড়াহুড়া করলে সফলতা আসবে না। যেমন মিডিয়ার প্রেশারের কারণে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় 'জজ মিয়ার মতো নাটক তৈরি' করতে হয়েছে।
পুলিশ যেন এসব না করতে পারে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হবে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেখা যাচ্ছে আন্দোলনে অংশ নেননি অথচ জুলাই বিপ্লবী সাজার চেষ্টা করছেন অনেকেই।

দ্য ডেইলি স্টারের খবর- Freight piling up at Dhaka airport অর্থাৎ ঢাকা বিমানবন্দরে জমছে পণ্য।
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের যুদ্ধের কারণে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক কয়েকটি এয়ারলাইন তাদের কার্গো ফ্লাইট স্থগিত করায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পণ্য জমে থাকার পরিমাণ বাড়ছে।
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর আকাশপথ আংশিক বন্ধ থাকায় দুবাই, আবুধাবি, দোহা ও মাসকাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে কার্গো ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বাংলাদেশ থেকে অনেক কার্গো ফ্লাইট মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বিমানবন্দর হয়ে ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পরিবহন করে।
বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির বিমানবন্দর সেল কমিটির চেয়ারম্যান নিশের খান বলেন, বিমানবন্দরে পণ্য জমে থাকার বিষয়টি সত্য, তবে সেগুলোর বড় অংশ ইউরোপ বা যুক্তরাষ্ট্রগামী নয়।
উল্লেখ্য, আকাশপথে পাঠানো বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো তৈরি পোশাক।
