Image description

লেবাননে চলমান কূটনৈতিক আলোচনা এবং ক্রমবর্ধমান সহিংসতার মধ্যে দেশজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৈঠকের পর ভবিষ্যৎ আলোচনার দিকনির্দেশনা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা

 

বিশ্লেষকদের মতে, এই আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে কী ফলাফল আসতে পারে, তা বলা কঠিন। কারণ, একদিকে লেবানন যুদ্ধবিরতির আশা করছে, অন্যদিকে ইসরায়েল স্পষ্ট করেছে যে তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা, সরাসরি যুদ্ধবিরতি নয়।

গত কয়েক দিনের পরিস্থিতিতে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ইসরায়েল বৈরুত ও এর উপশহরগুলোতে হামলা বন্ধ রেখেছে বলে জানা গেছে। তবে দক্ষিণ লেবাননে তাদের সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

লেবাননে এই আলোচনার প্রতিক্রিয়া মিশ্র। একদিকে অনেকে যেকোনো ধরনের শান্তি উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন, কারণ চলমান সংঘাতে সরকারি হিসাব অনুযায়ী দুই হাজারের বেশি লেবানিজ নিহত হয়েছেন।অন্যদিকে, অনেকে উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যেখানে তিনি বলেছেন ইসরায়েল ও লেবানন ‘একই অবস্থানে’ রয়েছে।

 

লেবাননের অনেক মানুষই উদ্বিগ্ন যে, এমন একটি দেশের সঙ্গে নিজেদের ‘একই পক্ষ’ হিসেবে দেখানো হচ্ছে, যারা সম্প্রতি তাদের শত শত নাগরিককে হত্যা করেছে—এর মধ্যে মাত্র ১০ মিনিটে প্রায় ৪০০ জন নিহত হওয়ার ঘটনাও রয়েছে।

 

 

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েল ও লেবানন সরকার আলোচনা চালিয়ে গেলেও প্রকৃত সংঘাতের প্রধান পক্ষ হিজবুল্লাহ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার বিরোধী এবং ভবিষ্যৎ কোনো চুক্তিও তারা মানতে বাধ্য থাকবে না।