Image description

রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাধারণ শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের মারধরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্য চলছে সমালোচনার ঝড়।

এদিকে ঢাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাইমুদ্দীনের ওপর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে ডিএমপির রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. মাসুদ আলমের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে শাহবাগ থানা ঘেরাও করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এসব ঘটনায় পুলিশের চার সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

 

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রমনা জোনের এডিসি মীর আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় পুলিশের দায়ী চার সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তবে মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছেন এডিসি আসাদুজ্জামান।

 

ঘটনার প্রতিবাদে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রমনার ডিসি মাসুদ আলম ও কনস্টেবলদের দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা।

 

জানা যায়, দুপুরে শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা। তারা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্ত রমনার ডিসি মাসুদ আলম ও কনস্টেবলদের দৃষ্টামূলক শাস্তির দাবি জানান। ঢাবি শিক্ষার্থীরা বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের নামে নিরীহ মানুষকে হয়রানি বন্ধ করতে হবে।

এর আগে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে মাদকসেবী সন্দেহে ডিসি মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মারধর করেন।

এসব অভিযানের ভিডিও ফুটেজ সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযানে উদ্যানে আসা নিরীহ মানুষজনদের পেটাচ্ছে পুলিশ। আর এ সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদেরও বেধড়ক মারধর করে পুলিশ সদস্যরা।