Image description

সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর সদর-১ আসনের ফলাফল স্থগিত চেয়ে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা।

 

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ডিআরইউর সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।

 

নির্বাচনে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসক, এসিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অর্থ লেনদেন ও চরম অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ডা. সানসিলা বলেন, আমার আসনটাকে প্রশাসনিক লেভেল থেকে টার্গেট করা হয়েছিল। বিদ্রোহী প্রার্থীকে জেলা প্রশাসক ও তার অফিসের লোকজন প্রত্যক্ষভাবে সাপোর্ট দিয়েছিলেন। বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে তাদের অর্থ লেনদেনের বিষয় ছিল, যার যথেষ্ট প্রমাণ আমার কাছে আছে।

 

তিনি বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনি প্রচারণায় বিএনপির পরিচয় মার্কিন করে, বালু উত্তোলন করে নির্বাচনে অর্থ ব্যয় করে—এসব অভিযোগ ডিসি অফিসে উত্থাপিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, উল্টো আমার প্রচার-প্রচারণায় বিভিন্নভাবে বাধার সৃষ্টি করেছে। আমার বিদ্রোহী প্রার্থী বালুরঘাট, গরুরহাট—এগুলো অবৈধভাবে দখল করেছিল। আমি বারবার জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেছিলাম, আপনারা মোবাইল কোর্ট করেন। তারা মোবাইল কোর্ট ঠিকই পাঠাত, কিন্তু অন্য জায়গায় পাঠাত।

 
 

 

জেলা প্রশাসকের অপসারণ দাবি করে বিএনপি মনোনীত এই সর্বকনিষ্ঠ ধানের শীষের প্রার্থী বলেন, আমি অবশ্যই জেলা প্রশাসকের অপসারণ চাই। ইলেকশন পরবর্তীতে আমার কাছে এখানে বেশ কিছু প্রমাণাদি আছে। যেখানে পুলিং এজেন্টের সিগনেচার নেই, প্রিসাইডিং অফিসারের সিল নেই—এগুলো যখন আমার পুলিং এজেন্ট আমাকে প্রমাণাদি দেওয়া শুরু করল, ইলেকশনের পর দিন থেকে আমার পুলিং এজেন্টদেরকে রক্তাক্ত করা হয়। কারও নাক-মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়। কারও রগ কাটা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনিকভাবে সহযোগিতা দরকার। কিন্তু জেলা প্রশাসক আমাকে কোনোভাবেই সহযোগিতা করেননি। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে, আমি আপনাদের দেখাব এবং কোর্টে গিয়ে আইনি সহযোগিতা নেব।

 

দল থেকে কোনো সহযোগিতা পেয়েছেন কি না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে নির্বাচনের সময় সবাই অনেক ব্যস্ত থাকে। প্রত্যেক আসনেই যে যার মতো ব্যস্ত ছিল। দল সবকিছুতে অবগত আছে এবং আমার দল অবশ্যই এ ব্যাপারে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেবে বলে আমার বিশ্বাস।