বরিশালের বাকেরগঞ্জে রমজান শুরুর আগেই বেড়েছে সব ধরনের খাদ্য পণ্য, সবজি-তরকারি, কাঁচা মরিচ লেবু, শসা, মাছের দাম। এতে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ সহ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছেন।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা শহরের বাস স্ট্যান্ড কাঁচা বাজার সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট বাজার ঘুরে দেখা গেছে রমজানকে সামনে রেখে গত এক সপ্তাহের তুলনায় সবজি-তরকারি, কাঁচা মরিচ লেবু, শসা বিক্রি হচ্ছে আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি দামে। ১ হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা ও কাঁচা মরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। একইসঙ্গে ইলিশসহ দেশীয় মাছের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫০ থেকে ১০০ টাকা। রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা, কাতলা মাছ কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫০ থেকে ৫০০টাকা। ইলিশ মাছ কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ২ হাজার টাকা।
মাছের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি সকল ধরনের সবজির দামও বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা। তাই বাজারে আসা ক্রেতাদের চোখে মুখে লক্ষ্য করা গেছে দু:শ্চিন্তার ছাপ। পন্যের দাম বৃদ্ধিতে অনেকেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
পৌর এলাকার ক্রেতা জাকির বলেন, রোজা শুরুর দুইদিন আগেই সব ধরনের খাদ্য পণ্য, সবজি-তরকারি মাছের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। এক হালি লেবু ১০০ টাকা কাঁচা মরিচ কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ টাকা। বাজারে এসে ঘুরতেছি এত দামে তরকারি কিনবো কিভাবে। উপজেলা প্রশাসনের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান বাজার মনিটরিং করার জন্য।
রমজান শুরুর দুই একদিন পূর্বেই এভাবে নিত্য পন্যের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে করছেন অনেকেই। সাধারণ মানুষের দু:শ্চিন্তা কমাতে বাজারে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবী করেন ক্রেতারা।
খুচরা ব্যবসায়ীদের বক্তব্য, আড়ত থেকে হঠাৎ করেই পূর্বের তুলনায় বেশী দামে ক্রয় করতে হচ্ছে সবকিছু, তাই পূর্বের তুলনায় বিক্রী মূল্যও একটু বেশী পড়ছে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ বলেন, নিত্য পন্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নিয়মিত বাজার তদারকি করা হবে। পাশাপাশি ভোক্তা অধিদপ্তর এ বিষয়ে তাদের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।