কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনে নির্বাচনে পরাজয়ের পর বিএনপির দুই গ্রুপের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়া কোর্টপাড়া এলাকায় অবস্থিত জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুষ্টিয়া সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার পরাজিত হওয়ায় দলীয় নেতারা কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের প্লাটফর্মে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের দুই গ্রুপের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
পরে কুষ্টিয়া শহর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ইমতিয়াজ দিবস, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আব্দুস সালাম ও ছাত্রদল নেতা সাগির কুরাইশসহ তাদের নেতাকর্মীরা ও কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান সুমন, সদস্যসচিব অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম ও কুষ্টিয়া সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইসমাইল হোসেন মুরাদের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্টেশনের প্লাটফর্মের ওপরে থাকা চায়ের দোকানে থাকা বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করে। এরপর দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আনে।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কুতুব উদ্দিন ও সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকারকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন মাতুব্বার বলেন, ‘বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা শুনে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। সেখানে কোনো ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনার প্রমাণ মেলেনি।’