Image description

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় এক জামায়াত নেতাকে অবরুদ্ধ করে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অবরুদ্ধ নেতার মেয়ের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলম মিতু। সেখানে গিয়ে তিনি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনও নাজেহালের শিকার হন বলে জানা গেছে। উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও তিনি দৃঢ় অবস্থান নিয়ে ওই জামায়াত নেতাকে উদ্ধার করেন।

বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে তিনি এ ঘটনার জন্য বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের দায়ী করেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মিতু লেখেন, ‘কাঁঠালিয়ায় ধরে ধরে জামায়াত নেতাদের অবরুদ্ধ করে ফোন চেক হচ্ছে, মারা হচ্ছে, পকেট চেক করা হচ্ছে। খুচরা টাকা নিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল। এটা সকালের মিডিয়া ট্রায়ালের ফল।’

তিনি আরও বলেন, ' জামায়াতের নেতাদের উপরে রাগ লাগে মাঝে মধ্যে মনে হয় এদের জন্ম হইছে মাইর খাওয়ার জন্য। এত নরম হইলে আসলে রাজনীতি করে মাইর খেয়ে লাভ কি? আজকে যাকে বের কর আনছি তার মেয়ে যদি আমাকে ফোন না দিতো তাহলে হয়তো আজ রাতে অবরুদ্ধই থাকতো। তার মেয়েকে ও সে ফোন দেয়ার সুযোগ পায় নি। মেয়েটাকে পাশের বাড়ির আর এক মেয়ে ফোন করছে যে তারাতাড়ি আসো তোমার  বাবাকে মারতেছে।  উনার মেয়ে কাঁদতে কাদঁতে আমাকে ফোন দেয়, আব্বুকে মেরে ফেললো, আপু ,আপনি কই।  আমি ফিল্ডে আসছি শুনি বলে জামায়াতের মায়েরে * ওগো যেহানে পাবি আইজ ধইরা আটকাইয়া নলা ভাংবি। সকালেও এক ছেলেকে মারছে চর থাপ্পড় দিছে।' 

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ওরা আমাকে খেয়াল করে নি। তখন ও ওই লোক (জামায়াত নেতা) অবরুদ্ধ ছিলো। আমি বাইরে চিল্লাচিল্লি করায় তাকে ছেড়ে দেয়া হইছে পিছনের দরজা থেকে। কিন্তু মারধর করছে, টাকা নিয়েছে। টাকা নিয়ে মারছে আর বলছে বল তুই ভোটারদের টাকা দেও। আমি ভিডিও করবো। যাকে মারা হইছে উনার বয়স ৫৮ বছর, উনি জামায়াতের ৪ নং কাঁঠালিয়ার অর্থ সম্পাদক। জামায়াত নেতারা এইসব অত্যাচার মনে না রাখলে তাদের সাথে নেক্সট বোঝাপড়া আমার হবে। আমি আসার পর আমার গার্ডদের গায় হাত দিছে।