Image description
  • তফসিল থেকে প্রচারণাকালীন সময়ে ৫৪৫ অপতথ্য শনাক্ত
  • ৫১ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অপতথ্যের শিকার
  • পুরুষদের মধ্যে তারেক রহমান, নারীদের মধ্যে তাসনিম জারা ও রুমিন ফারহানা সবচেয়ে বেশি লক্ষবস্তু
  • দল হিসেবে সবচেয়ে বেশি শিকার বিএনপি
  • এআই-ডিপফেক, ফটোকার্ড এবং ভুয়া ও সম্পাদিত বক্তব্যে বেশি অপপ্রচার
  • সেনাবাহিনীকে নিয়ে ২২টি, পুলিশকে নিয়ে ১৪টি অপতথ্য

দিনটি ছিল শুক্রবার। ১২ ডিসেম্বরের সেই দিনে জুম্মার নামাজের ঠিক পরপরই খবর আসে সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশ থেকে সিঙ্গাপুর নিয়েও হাদিকে বাঁচানো যায়নি, মৃত্যু তাকে আলিঙ্গন করে নেয় এক সপ্তাহ পরই।  

হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার আগের দিন সন্ধ্যায়ই ঘোষণা করা হয় দেশের ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল, যা থেকে জানা যায় যে আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই দিনটিই আগামীকাল। সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণের পাশাপাশি একই দিনে গণভোটও হওয়ার কথা রয়েছে। জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে এই গণভোটও সমান গুরুত্ব পাচ্ছে। 

এমন প্রেক্ষাপটে রিউমর স্ক্যানার দেখতে চেয়েছে, তফসিল ঘোষণা পরবর্তী সময় থেকে প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিক প্রচারণাকালীন সময়ের মধ্যে অপতথ্যের প্রবাহ কেমন ছিল। রিউমর স্ক্যানারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত গেল দুই মাসের নির্বাচন সংক্রান্ত ফ্যাক্টচেকগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে ৫৪৫টি। সবমিলিয়ে, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে নির্বাচন সংক্রান্ত অপতথ্যের ওপর নজরদারি শুরুর পর থেকে গেল ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সর্বমোট ৭৫৭টি অপতথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার। 

প্রচারণাকালে বেশি অপতথ্য 

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর পর (গত বছরের ১১ ডিসেম্বর) যে ৫৪৫টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে তার মধ্যে তফসিল ঘোষণার পর থেকে ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত পাওয়া গেছে ২১৭টি, আর প্রচারণা শুরুর পর ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছে ৩২৮টি অপতথ্য-যা দেখায় প্রচারণাকালেই অপতথ্যের প্রবাহ সবচেয়ে বেশি ছিল। এই সময়ের মধ্যে গণভোট নিয়ে অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে অন্তত ২৩টি। 

ডিসেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির উল্লিখিত সময়ের মধ্যে ৫১ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সরাসরি অপতথ্যের শিকার হয়েছেন, যাদের নিয়ে ছড়ানো হয়েছে মোট ৩৫২টি ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য। ভুক্তভোগীদের বড় অংশই পুরুষ-৪৯ জন। পুরুষ প্রার্থীদের লক্ষ্য করে ৩৪০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। নারীদের ক্ষেত্রে ২ জন প্রার্থীকে নিয়ে ১২টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে।

পুরুষ প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অপতথ্যের শিকার হয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, যিনি এবার ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচনে লড়ছেন। আর নারী প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-৯ আসনের তাসনিম জারা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের রুমিন ফারহানাকে নিয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এরা দুজনই এবার স্বতন্ত্র হিসেবে প্রার্থী হয়েছেন। 

এবার ৪৭টি সংসদীয় আসনে অপতথ্যের প্রবাহ লক্ষ্য করা গেছে। এসব আসনে মোট ১২৯টি অপতথ্য ছড়িয়েছে। আসনভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে ঢাকা-৮ আসনে, যেখানে মোট ৫১টি অপতথ্য পাওয়া গেছে। এই আসনটি গেল কয়েক মাস যাবতই আলোচনায়। ওসমান হাদি এই আসন থেকেই নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন। এখানে বিএনপির বিএনপির প্রার্থী বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ মির্জা আব্বাস। তার শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা হচ্ছে হাদির মৃত্যুর পর এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া তরুণ রাজনীতিবিদ নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে। 

অপতথ্যে ফটোকার্ড ছিল বড় অস্ত্র

অপতথ্য ছড়ানোর ক্ষেত্রে ফেসবুকই ছিল সবচেয়ে প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম-এখানেই শনাক্ত হয়েছে ৫৩৫টি ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট। এরপর রয়েছে টিকটক (৮৫টি) ও ইনস্টাগ্রাম (৭৬টি), যা দেখায় ভিজ্যুয়ালভিত্তিক প্ল্যাটফর্মগুলোতেও অপতথ্যের বিস্তার উল্লেখযোগ্য। তুলনামূলকভাবে কম অপতথ্য লক্ষ্য করা গেছে ইউটিউব, এক্স, থ্রেডসে।

ধরণভেদে বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে ফটোকার্ডের মাধ্যমে (২৮৫টি) এবং ভুয়া ও সম্পাদিত বক্তব্য ব্যবহার করে (২৫৪টি)। পাশাপাশি এআই-ডিপফেক কনটেন্টের সংখ্যা ছিল ৭৭টি, যা প্রযুক্তিনির্ভর বিভ্রান্তির বাড়তি ঝুঁকি তুলে ধরে। এছাড়া নির্বাচনী সহিংসতা সংক্রান্ত অপতথ্য ১৯টি, পুরোনো ছবি বা ভিডিও নতুন বলে চালানো হয়েছে ২৫টি ক্ষেত্রে, আর সার্কাজম পেজকে সূত্র দেখিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে ৩৪টি ঘটনায়-সব মিলিয়ে অপতথ্যের ধরন ছিল বহুমুখী ও কৌশলগত।

অপতথ্যের লক্ষ্যবস্তুতে বিএনপি-তারেক রহমান

দলভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে ঘিরেই সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। মোট শনাক্ত ৩৬০টি অপতথ্যের মধ্যে ৮১ শতাংশই ছিল নেতিবাচক।

এ সময়ে বিএনপির ১৪ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সরাসরি অপতথ্যের শিকার হয়েছেন, যাদের নিয়ে ছড়ানো হয়েছে মোট ১৭২টি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তু ছিলেন তারেক রহমান-তাকে নিয়ে পাওয়া গেছে ১৩৩টি অপতথ্য, যার ৮৬ শতাংশই নেতিবাচক।

ধরণ অনুযায়ী দেখলে, বিএনপিকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে ফটোকার্ডের মাধ্যমে (১৪৫টি) এবং ভুয়া ও সম্পাদিত বক্তব্য ব্যবহার করে (১১২টি)। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ৪৩টি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী সহিংসতা কেন্দ্রিক অপতথ্য ছিল ১০টি, যা পরিস্থিতিকে অতিরঞ্জিত বা ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে।

দলভিত্তিক বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ঘিরেও নির্বাচনী সময়ে ব্যাপক পরিসরে অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। পর্যবেক্ষণকালীন সময়ে দলটির বিরুদ্ধে মোট ৩০৮টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশই নেতিবাচক বর্ণনার। এই সময়কালে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সরাসরি অপতথ্যের লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। তাদের নিয়ে ছড়ানো হয়েছে মোট ৮৯টি বিভ্রান্তিকর তথ্য। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রমণের শিকার হয়েছেন দলের আমীর ডা. শফিকুর রহমান-তাকে ঘিরে শনাক্ত হয়েছে ৫৪টি অপতথ্য, যার মধ্যে ৯৮ শতাংশই নেতিবাচক প্রকৃতির।

ধরণভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামায়াতকে লক্ষ্য করে সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে ফটোকার্ডের মাধ্যমে (১১০টি)। পাশাপাশি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ৪৯টি অপতথ্য এবং ভুয়া বা সম্পাদিত বক্তব্যের মাধ্যমে ৪৫টি বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনী সহিংসতা ঘিরে অপতথ্যের সংখ্যা ছিল ১১টি।

দলভিত্তিক পর্যালোচনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-কে ঘিরে অপতথ্য ছড়ানোর একটি স্বতন্ত্র চিত্র পাওয়া গেছে। পর্যবেক্ষণকালীন সময়ে দলটির বিষয়ে মোট ৬২টি অপতথ্য শনাক্ত করা হয়েছে। এসব কনটেন্টের মধ্যে ৯৫ শতাংশই নেতিবাচক ধারার। এই সময়ে এনসিপির ৭ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অপতথ্যের সঙ্গে যুক্ত কনটেন্টে উল্লেখিত হয়েছেন। তাদের বিষয়ে মোট ৪০টি বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত হয়েছে। পৃথকভাবে বিশ্লেষণে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে- তার নাম সংশ্লিষ্ট ১৩টি অপতথ্য পাওয়া গেছে, যার প্রতিটিই নেতিবাচক।

ধরণভিত্তিকভাবে এনসিপি সংশ্লিষ্ট অপতথ্যের মধ্যে ভুয়া ও সম্পাদিত বক্তব্য (১৯টি) এবং ফটোকার্ড (১৯টি) সমান সংখ্যায় পাওয়া গেছে। এছাড়া এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি ৫টি এবং নির্বাচনী সহিংসতা সংশ্লিষ্ট ৫টি অপতথ্য শনাক্ত করা হয়েছে।

নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ঘিরেও অপতথ্যের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। তবে অন্যান্য দলের তুলনায় এ ক্ষেত্রে অপতথ্যের পরিমাণ অপেক্ষাকৃত কম। পর্যবেক্ষণকালীন সময়ে দলটি সংশ্লিষ্ট মোট ৪২টি অপতথ্য চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫৯ শতাংশ ছিল নেতিবাচক ধাঁচের। এই সময়কালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২ জন সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অপতথ্য সম্পর্কিত কনটেন্টে উঠে এসেছেন। তাদের নিয়ে মোট ১৪টি বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে। পৃথকভাবে দেখা যায়, দলটির সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীমকে ঘিরে অপতথ্যের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি-তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৩টি অপতথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৬৯ শতাংশ নেতিবাচক।

ধরণ অনুযায়ী বিশ্লেষণে দেখা যায়, দলটিকে লক্ষ্য করে ছড়ানো অপতথ্যের বড় অংশই ছিল ফটোকার্ডভিত্তিক (২২টি)। পাশাপাশি ভুয়া ও সম্পাদিত বক্তব্যের মাধ্যমে ৫টি এবং নির্বাচনী সহিংসতা সংশ্লিষ্ট ৩টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে ঘিরে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি কোনো অপতথ্য পাওয়া যায়নি।

সেনাবাহিনীকে নিয়ে এআই কনটেন্ট বেশি 

পর্যালোচিত সময়ের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরেও একাধিক অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে নিয়ে মোট ২২টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে। এসবের ভেতরে সেনাবাহিনীর প্রধা জেনারেল  ওয়াকার-উজ-জামানকে ঘিরে পাওয়া গেছে ৮টি ভুয়া দাবি। বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সেনাবাহিনীকে জড়িয়ে প্রচার হওয়া অপতথ্যের ৫৯ শতাংশই এআই দিয়ে তৈরি করে ছাড়া হয়েছে অনলাইনে। এছাড়া গণমাধ্যমের নকল ফটোকার্ডসহ বিভিন্ন অভিযানের ফুটেজকে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করে এই বাহিনীকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের প্রবণতা ছিল লক্ষণীয়। 

এছাড়া বাংলাদেশ পুলিশকে নিয়ে ১৪টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে যার অর্ধেকই এআই কনটেন্ট। তুলনামূলকভাবে কম হলেও র‌্যাব ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-কে নিয়ে ১টি করে অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে।

নির্বাচনকালীন সময়ের এই চিত্র খুব স্পষ্টভাবে দেখায় যে নির্বাচনকালীন অপতথ্য আর বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়-এটা পরিকল্পিত, ধারাবাহিক এবং কৌশলনির্ভর। অপতথ্যের বড় অংশ প্রচারণাকালে ছড়ানো এবং নির্দিষ্ট দল ও প্রার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে-এতে বোঝা যায় উদ্দেশ্য ছিল ভোটারদের মনোভাব প্রভাবিত করা ও আস্থার সংকট তৈরি করা। ফটোকার্ড ও ভুয়া বক্তব্যের ব্যাপক ব্যবহার দেখায়-সহজে তৈরি করা যায়, দ্রুত ছড়ায় এবং যাচাই করতে সময় লাগে-এমন কনটেন্টই সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হয়ে উঠেছে। এআই-ডিপফেকের উপস্থিতি ভবিষ্যতের জন্য আরও বড় ঝুঁকির বার্তা দিচ্ছে।

দলভিত্তিকভাবে প্রায় সব পক্ষই নেতিবাচক অপতথ্যের শিকার হওয়ায় বোঝা যায়, এটি কোনো একক দলের সমস্যা নয়; বরং সমগ্র নির্বাচনী পরিবেশের জন্য হুমকি। পাশাপাশি নিরাপত্তা বাহিনীকে ঘিরে অপতথ্য ছড়ানো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা নিয়ে সন্দেহ তৈরি করার চেষ্টা বলেই মনে হয়।