Image description

২০০১ সালের পর বিএনপি অশিক্ষিতদের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পরে আস্তে আস্তে বিএনপি অবনতির দিকে যেতে লাগলো। বেগম জিয়ার সময় আমরা কিছুটা থামায়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু ২০০১ সালের পর বিএনপি দুর্নীতিবাজ ব্যবসায়ী, সন্ত্রাসী, অশিক্ষিত এবং ঋণখেলাপিদের হাতে চলে যায়। এটার আমি প্রতিবাদ করেছিলাম, কিন্তু আমার কথা শুনে নাই। ঠিক তখন আমি চিন্তা করলাম, আমার কথা যেহেতু শুনে নাই, আমাকেই বিদায় নিতে হবে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে চৌদ্দগ্রামের কুমিল্লার মিয়া বাজার লতিফুননেছা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উজিরপুর জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অলি আহমেদ বলেন, দুটি দল জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে, একটি আওয়ামী লীগ, আরেকটি বিএনপি। যে দলের নেতা বলেন, আমি দেশে যাবো কিনা এটা নির্ভর করে অন্য বিষয়ের উপরে অর্থাৎ মোদি সাহেব অনুমতি দিলে আসবেন আর মোদি সাহেব অনুমতি না দিলে আসবেন না।

 

তিনি বলেন, আপনারা কি মোদির গোলাম? বাংলাদেশের লোকজনকে চিন্তা করতে হবে কোন পথে যাবেন, মোদির গোলামি করবেন নাকি বাংলাদেশের গোলামি করবেন। এটা জামায়াতে ইসলামীর বিষয় না, এটা এলডিপির বিষয় না, এটা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিষয়।

নির্বাচনি জোট বিষয়ে তিনি বলেন, আমিও জামায়াতে যোগ দেই নাই, জামায়াতও এলডিপিতে যোগ দেয় নাই। আমরা দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তি এক হয়ে কতগুলো কর্মসূচি নিয়েছি। কর্মসূচিগুলো হলো, আমরা ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবো। টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি বন্ধ করবো। একই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের জেলে আবদ্ধ করে ঋণগুলো পরিশোধের ব্যবস্থা করবো।

এ সময় কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনের জামায়াতেন প্রার্থী ও দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আমির মুহাম্মদ শাহজাহান অ্যাডভোকেট, কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আমির মাহফুজুর রহমান, সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, সেক্রেটারি বেলাল হোসাইন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা মোস্তফা নুরুজ্জামান খোকন, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা শাহজালালসহ জামায়াত জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।