ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) জিএস এস এম ফরহাদ বলেছেন, ডাকসুর পক্ষ থেকে আমরা চিন্তা করেছিলাম বাংলাদেশের যারা সামনে প্রধানমন্ত্রী হতে চায়, তাদেরকে নিয়ে একটা পলিসি ডিবেট করব। দুইপক্ষের দুইজন আসবে, তারা তাদের কথাগুলো বলবে আমরা জামায়াতের আমিরকে সপ্তাহখানেক আগে বিষয়টি নিয়ে এপ্রোচ করলে উনি সেখানে আসার সম্মতি দিয়েছেন। সম্মানিত তারেক রহমানকেও আমরা বলেছিলাম যে আপনি আসবেন কিনা, তিনি এখন পর্যন্ত কোন রিপ্লাই দেন নাই।
বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে তিনি একথা বলেন। ফরহাদ বলেন, যেদিন সাহস করতে পারবেন পারস্পরিক ডিবেট করে আপনার পলিসি টা মানুষের সামনে উন্মুক্ত করতে জানাতে পারবেন, সেদিন বুঝবো আপনি বাংলাদেশ সম্পর্কে ধারণা রাখেন এবং আসলে এই শাসন করতে আপনি যোগ্য।
ডাকসু জিএস বলে, আমাদের প্রত্যাশা ছিল দুই জনেই আসবেন, জনতার সম্মুখে বলবেন তাদের কথাগুলো। আমরা গত কয়েকদিন ধরে দেখতে পাচ্ছি তিনি সারাদেশে বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন। জনতার কাছে প্রশ্ন রেখে বলেন, সেখানে বদর যুদ্ধের কাহিনী শুনছেন না ওনার মুখে? শুনছেন? তারপরে যেখানে ইপিজেড অলরেডি আছে সেখানে গিয়ে বলছেন যে ইপিজেড তিনি করবেন। শুনছেন না? তারপরে যেখানে ভুট্টা চাষ হয় সেখানে গিয়ে বলছেন কিসের চাষ? সোয়াবিন চাষ শুনছেন না?
এই যে ভয়াবহ অবস্থা আমি আশাবাদী ছিলাম, তিনি বাংলাদেশের সামনে হাল ধরতে চাচ্ছেন এবং সেই অনুযায়ী তিনি পলিসি নিবেন। তিনি যশোর গিয়ে বললেন, চিনি কল যেগুলো বন্ধ হয়ে গেছে সেগুলো তিনি চালু করবেন অথচ ওখানে চিনি কল ছিল না অর্থাৎ আমরা আশঙ্কা করছি যদি আমরা ১২ তারিখ ভুল জায়গায় সিল মারি, ভুল লোককে নিয়ে আসি সঠিক সিদ্ধান্ত না নিতে পারি বাংলাদেশ সম্পর্কে যাদের ভালো ধারণা নাই তারা যদি চলে আসে সামনে ভয়াবহ দিন অপেক্ষা করছে।
ফরহাদ বলেন, তিনি জায়গায় জায়গায় বলছেন উনাদের অনেক অভিজ্ঞতা এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একটা পার্টিকে তিনি ক্ষমতায় আনতে চান। আমি কি একটু ঘাটাঘাটি করতে ছিলাম। পরে দেখলাম উনি নিজেই কখনো ইলেকশন করার সুযোগ পান নাই। এটা স্বাভাবিক না পাওয়া টা, গত ১৫ বছর ফ্যাসিবাদ ছিল। কিন্তু আর কি অভিজ্ঞতা আছে? সে অভিজ্ঞতা আমরা জানতে চাচ্ছিলাম যে আপনি আসেন জনসম্মুখে বলেন। এখন পর্যন্ত সেই জিনিস আমরা লক্ষ্য করি না। এখন পর্যন্ত পারি নাই।