জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে জামায়াত ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাঁয়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি জানান, সিলসহ সোহেল রানা নামের যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সে জামায়াত কর্মী বলে জানতে পেরেছি।
তিনি আরো বলেন, সোহেলের সিল বানানোর পেছনে কার ইন্ধন, কোন প্রার্থীর-কোন নেতার ইন্ধন, কিভাবে এই সিলগুলো বানানো হলো, এটা খুঁজে বের করতে হবে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। তা ছাড়া প্রত্যেক কেন্দ্রে কেন্দ্রে জাল ভোট এবং জালিয়াতি করতে না পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে এ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
সম্প্রতি জাল ভোট দেওয়ার লক্ষ্যে জামায়াত ৫০ হাজার বোরকার অর্ডার দিয়েছেন বলে মন্তব্য করে আসছেন এ্যানি চৌধুরী। এ বক্তব্যের কোনো প্রমাণ আছে কি-না সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে এ্যানি বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয়-এটা প্রমাণসহ আজকে মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি তারা সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, বিএনপি নেতা হাফিজুর রহমান, সদর (পূর্ব) উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন চৌধুরী রিয়াজ, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া প্রমুখ।