Image description

লাইটার জাহাজগুলোকে তিন দিনের মধ্যে বন্দরে পৌঁছে পণ্য খালাস করার নির্দেশ দিয়েছেন নৌপরিবহণ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। অন্যথায় কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মাদার ভেসেল হতে পণ্য পরিবহণের কাজে নিয়োজিত লাইটার জাহাজের বিভিন্ন সংকট সমাধানের নিমিত্ত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই নির্দেশ দেন তিনি। সভায় নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী, এনডিসিসহ বিভিন্ন দফতর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, ‘কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে পণ্যের দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধির জন্য লাইটার জাহাজগুলোকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার করছে। এতে মাদার ভেসেল থেকে পণ্য খালাসের জন্য লাইটার জাহাজের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘লাইটার জাহাজ সংকট নিরসনে নৌ পরিবহণ অধিদফতর ইতোমধ্যে তিনটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এ সকল টাস্কফোর্স নিয়মিত দেশের নারায়ণগঞ্জ, যশোর, নোয়াপাড়া এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এলাকায় মোবাইল কোর্টসহ অভিযান পরিচালনা করছে। টাস্কফোর্সের অভিযানের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে অবস্থার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ফলশ্রুতিতে বিআইডব্লিউটিসি থেকে বহির্নোঙরে মাদার ভেসেলগুলোতে সর্বমোট ৭৩৫টি লাইটার ভেসেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।’

উপদেষ্টা জানান, লাইটার জাহাজ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি সম্বলিত লাইটার ভেসেল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (অ্যাপ) গত ৩০ জানুয়ারি চালু করা হয়েছে। এই সফটওয়্যারটি জাহাজে ব্যবহার করা হলে সার্বক্ষণিক জাহাজকে ট্র্যার্কি করা সম্ভব হবে।

এসময় তিনি যে সকল আমদানিকারক ও পণ্যের এজেন্ট লাইটার জাহাজ থেকে নির্ধারিত সময়ে পণ্য খালাস করছে না তাদের তালিকা নৌ পরিবহণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে প্রস্তুত করার নির্দেশও দেন। পাশাপাশি তালিকা গণমাধ্যমে প্রকাশ করাসহ দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিলের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।