Image description

হবিগঞ্জ জেলা এনসিপি থেকে পদত্যাগ করেছেন সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব ও জুলাই যোদ্ধা পলাশ মাহমুদসহ আহ্বায়ক কমিটির ১৩ নেতা। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব বরাবর লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় দপ্তরের মেইল এবং অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এনসিপি হবিগঞ্জ জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পলাশ মাহমুদ ছাড়াও অন্যান্য পদত্যাগকারীরা হলেন- যুগ্ম আহ্বায়ক মো. নুরুল হক টিপু, যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াহিদ মনির, যুগ্ম সদস্য সচিব সিরাজুল হক সজিব, যুগ্ম সদস্য সচিব শেখ রুবেল আহমেদ, যুগ্ম সদস্য সচিব সালাম আহসান, যুগ্ম সদস্য সচিব সনজয় দাস, সদস্য মো. হারুন মিয়া, কামাল উদ্দিন আহমেদ, মো. জসিম উদ্দিন, মো. জাহিদ মিয়া, শফিউল আলম খান এবং সোফায়েল আহমেদ।

পদত্যাগপত্রে পলাশ মাহমুদ উল্লেখ করেছেন, ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং চলমান পরিস্থিতি গভীরভাবে বিবেচনা করে তিনি মনে করছেন, বর্তমান কাঠামোর ভেতরে থেকে দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখা এই মুহূর্তে তার পক্ষে সমীচীন নয়। এ কারণে কোনও প্রকার দ্বন্দ্ব বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করে দলের বৃহত্তর স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি আরও বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত দল বা নেতৃত্বের প্রতি কোনও অনাস্থা কিংবা অসম্মানের প্রতিফলন নয়, বরং দলের প্রতি দায়বদ্ধতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রাখার মানসিকতা থেকেই এটি নেয়া হয়েছে। পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে তাকে জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিবের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে অনুরোধ করেছেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতে গণতন্ত্র, ন্যায় এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট ইতিবাচক উদ্যোগে ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার আগ্রহের কথাও উল্লেখ করেছেন পলাশ মাহমুদ।

অন্য ১২ নেতা ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রের অনুলিপি জেলা আহ্বায়ক ও সদস্যসচিব, সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শীর্ষনিউজ