Image description
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরুর পর পাঁচ দিনে পুরো দেশ মেতেছে নির্বাচনি উৎসবে। প্রথম দিন থেকেই ব্যস্ত সময় পার করেছেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দলগুলোর শীর্ষ নেতা ও প্রার্থীরা। চষে বেড়াচ্ছেন গ্রাম থেকে শহর। ভোটারদের ঘরে ঘরে গিয়ে দোয়া ও ভোট চাইছেন তারা। শীর্ষ নেতারা বক্তব্য দিচ্ছেন নির্বাচনি জনসভায়। এ সময় প্রতিপক্ষকে কটাক্ষ করার পাশাপাশি ভোট প্রার্থনা করছেন। ভবিষ্যৎ উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরার পাশাপাশি দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।

শীর্ষ নেতারা সশরীরে জনসভা ও পথসভা করায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে বাড়তি উৎসাহ-উদ্দীপনা। আলোচনা আছে-সাধারণ ভোটারদের মধ্যে অনেকে দৈনন্দিন কাজ ছেড়ে কিছুদিনের জন্য বিভিন্ন দলের প্রচারণায় নাম লিখিয়েছেন। এজন্য কিছুটা বাড়তি আয়ও করছেন কেউ কেউ। তবে নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণও স্বতঃস্ফূর্তভাবে এসব জনসভায় যোগ দিচ্ছেন। সবমিলিয়ে নির্বাচন ঘিরে কিছু বিষয় নিয়ে সামান্য শঙ্কা থাকলেও কয়েক দিনে দেশজুড়ে উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে। অফিস-আদালত থেকে শুরু করে শহর-বন্দর, গ্রামগঞ্জের হাটবাজার, চায়ের দোকান, বাড়ির বৈঠকখানা-সর্বত্রই এখন প্রাধান্য পাচ্ছে নির্বাচন নিয়ে আলোচনা।

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এবার নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রচারের জন্য ২০ দিন সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে। সে অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচার চালানো যাবে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া প্রচারণার প্রথম পাঁচ দিনেই (সোমবার পর্যন্ত) বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অন্তত ১৪টি জনসভায় সরাসরি অংশ নিয়েছেন। এছাড়া একটি জনসভায় তিনি ভার্চুয়ালি বক্তব্য দেন। এর মধ্যে প্রথম দুই দিনে রাজধানী ঢাকার ভাষানটেকসহ সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব, নরসিংদী ও নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার-আটটি জনসভায় বক্তৃতা করেন। চতুর্থ দিনে চট্টগ্রাম, ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে ছয়টি জনসভায় অংশ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান। সর্বশেষ সোমবার বিকালে নোয়াখালীর হাতিয়ার দ্বীপ সরকারি কলেজ মাঠে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।

অন্যদিকে জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান পাঁচদিনে ঢাকা ও ঢাকার বাইরে ইতোমধ্যে অন্তত ১৫টি নির্বাচনি জনসভা করেছেন। প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন ঢাকার মিরপুরে নির্বাচনি জনসভা করে দলটি। এরপর উত্তর বঙ্গের ১০টি স্থানে জনসভা করেন। এছাড়া চতুর্থদিন রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয় তাদের আরও চারটি জনসভা। আর সোমবার পঞ্চমদিন কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও মাগুরায় নির্বাচনি জনসভা করেছে জামায়াতে ইসলামী।

রাজনৈতিক দলগুলোর সফর করা নির্বাচনি এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, বিএনপি, জামায়াতসহ দলগুলোর শীর্ষ নেতারা যেসব এলাকায় যাচ্ছেন, তাদের পদচারণায় ওইসব জনপদে একধরনের নির্বাচনি ঢেউ উঠেছে। তাছাড়া বড় দলগুলোর অধিকাংশ বড় নেতাই এখন নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় অবস্থান করছেন। এর ফলে তাদেরকে কেন্দ্র করে প্রশাসন যেমন সতর্ক অবস্থানে, তেমনই নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যেও নির্বাচনি উৎসব ছড়িয়ে পড়ছে। তাদের অনেকের চোখেই এখন ঘুম নেই।

পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, শেখ হাসিনার আমলে বিগত কয়েকটি জাতীয় নির্বাচনে দেশে ভোট নিয়ে এমন ‘উইন উইন সিচুয়েশন’ দেখা যায়নি। এবারের ভোটে প্রতিনিধিত্ব করা দলগুলোর মধ্যে বিএনপি সবচেয়ে বড় এবং ভোটের হিসাবে তারা এগিয়ে আছেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও জামায়াতের জনসভায় লোকসমাগম দেখে অনেকেই বলছেন ক্ষমতায় কে যাবে, তা এখনো নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। কারও কারও মতে, বিএনপি নিশ্চিত ক্ষমতায় যাবে। আবার কেউ বলছেন, জামায়াতের ভোট এবং আসন-দুটিই এবার অনেক বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে ফলাফল যাই হোক না কেন, দুই পক্ষের কর্মী-সমর্থকসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে এবার নির্বাচনে সম্পৃক্ততা বেড়েছে। ছড়িয়ে পড়েছে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা। তারা অধীর আগ্রহে অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের দিকে চেয়ে আছেন।

বিএনপির নির্বাচনি কৌশল : বিএনপির রাজনীতির এবার সবচেয়ে ইতিবাচক দিক হলো দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের লাগাতার জনসভা ও পথসভায় সশরীরে অংশগ্রহণ। দেশে ফেরার পর থেকেই তিনি জনগণের মধ্যে একটা ইতিবাচক বার্তা দিতে পেরেছেন বলে দেশের রাজনীতিতে আলোচনা আছে। অনেকে এটাকে বিএনপির জন্য ‘প্লাস পয়েন্ট’ বলে মনে করছেন। কারও মতে, তারেক রহমানের এই ইতিবাচক বার্তা ও ইমেজ ভোটের মাঠে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাছাড়া এখন পর্যন্ত তিনি বিদ্বেষপূর্ণ ও বিতর্কিত কোনো বক্তব্য দেননি। বরং রোববার রাতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি চাইলে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আমি কোনো সমালোচনা করিনি কিংবা তাদের নামও নিইনি। কারণ, সামনে নির্বাচন, আমি কী করব-না-করব, দেশের মানুষ আমার থেকে সেটা জানতে চায়। আমি যদি এখন অন্য মানুষ সম্পর্কে গিবত গাই, আপনার কি পেট ভরবে? আপনারা তো আমার কাছে জানতে চান, আমি ক্ষমতায় গেলে কী করব। এটা দুইয়ে দুইয়ে চারের মতো সোজা হিসাব।’

তারেক রহমান এবার অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে ভেবে-চিন্তে অগ্রসর হচ্ছেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক অভিজ্ঞ মহল। এ কারণে বিএনপিকে নিয়ে প্রতিপক্ষের নেতিবাচক প্রচারণাও খুব বেশি কাজে আসছে না। প্রচারেও তিনি কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে মতবিনিময় করেন, যা জনসভার পাশাপাশি তরুণ সমাজকে আকৃষ্ট করেছে। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘ইয়ুথ পলিসি টক’-এ অংশগ্রহণ করেন বিএনপির চেয়ারম্যান। এই পলিসি টকে তিনি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, স্বাস্থ্য, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিএনপির পলিসি নিয়ে মতবিনিময় করেন, তরুণ-তরুণীদের পরামর্শ শুনেন। এসব উদ্যোগ নির্বাচনি প্রচারণায় নতুনত্ব এনেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ও দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলের মতে, জনসভায় শুধু অসম্ভব লোকসমাগম দেখেছি, তা বললে ভুল হবে; এটা জনসমুদ্রের সঙ্গে তুলনা করা যায়। এসব জনসভায় নারীর অংশগ্রহণ ছিল অভূতপূর্ব। সাধারণ মানুষ ছিল চোখে পড়ার মতো। শৃঙ্খলাও ছিল চমৎকার। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে-তারেক রহমান সেখানে শুধু তার পরিকল্পনার কথা বলেছেন। আগামী দিনে তিনি জনগণের জন্য যা করতে চান; বিশেষ করে দেশের তরুণ, কর্মহীন মানুষ, নারী, পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার জন্য-এই কর্মসূচিগুলো শুধু তুলে ধরেছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে ধানের শীষের পক্ষে গণমানুষ এক অভূতপূর্ব গণজোয়ার সৃষ্টি করেছেন। বিপুল জনসমাগমের কারণে তারেক রহমানের কর্মসূচি বিলম্বিত হয়েছিল। তবুও সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত, সরব ও উৎসবমুখর উপস্থিতি তার প্রতি জনগণের অগাধ আস্থা ও ভালোবাসারই প্রতিফলন।

জামায়াতের নির্বাচনি কৌশল : মিটিং-মিছিল কম করে একেবারে ঘরে ঘরে মানুষের কাছে পৌঁছানোকেই নির্বাচনের প্রধান কৌশল হিসাবে নিয়েছে জামায়াত। নির্বাচন সামনে রেখে ‘তিন স্তরের’ এজেন্ট চূড়ান্ত করতে কাজ করছে দলটি। পাশাপাশি ভোটের দিন গণনা শেষ হওয়া পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। এ লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও চলছে। ভোটের প্রচারেও বেশ কৌশলী অবস্থান নিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে নিজেদের কঠোর অবস্থানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন দলটির শীর্ষ নেতা ও প্রার্থীরা। এছাড়া ক্ষমতায় গেলে নারীদের জন্য নিরাপদ কর্মসংস্থান এবং তরুণদের জন্য সম্মানজনক কর্মের ব্যবস্থা করার অঙ্গীকারও রয়েছে দলটির। জামায়াতের নির্বাচনি জনসভাগুলোয়ও ব্যাপক লোকসমাগম দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে কুষ্টিয়া, পঞ্চগড় এবং বগুড়ার জনসভার উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে আলোচিত হচ্ছে।

নির্বাচনি জনসভাগুলোয় জামায়াত আমিরের বক্তব্যে জাতীয় রাজনীতি বা স্থানীয় সমস্যাগুলো গুরুত্ব পাচ্ছে। মিরপুরে তিনি এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো এবং গ্যাস নিয়ে সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো তুলে ধরে এর সমাধানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দেন। আর পঞ্চগড়ের জনসভায় জামায়াতের আমির উত্তর বঙ্গকে ‘কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী’ বানানোর প্রতিশ্রুতি দেন। সোমবারের জনসভায় নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে জামায়াত আমির বলেন, ‘আল্লাহর কসম, আমরা ক্ষমতায় গেলে জনগণের সম্পদের ওপর হাত দেব না। আমরা হব জনগণের চৌকিদার। সরকারি অর্থের প্রতিটি হিসাব জনগণের কাছে দিতে আমরা দায়বদ্ধ থাকব। জনপ্রতিনিধিদের সম্পদের হিসাব কেবল পাঁচ বছরে একবার নয়; বরং প্রতিবছর জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। ক্ষমতায় থাকাকালে কোনো জনপ্রতিনিধির সম্পদ এক পয়সাও বাড়বে না।’

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা দল এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি জোট করে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। পৃথকভাবে তারাও চালাচ্ছেন নির্বাচনি প্রচার। এদিকে প্রথমে জামায়াতের সঙ্গে জোট নিয়ে আলোচনা করলেও পরে ভোটের মাঠে ২৫৩ আসনে এককভাবে জোরেশোরেই নির্বাচনি প্রচারে নেমেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। অন্যদিকে গত কয়েকটি সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির প্রচারণায় ‘গর্জন’ না থাকলেও বৃহত্তর রংপুরে তাদের আলাদা একটা অবস্থান রয়েছে। ফলে সেখানে ত্রিমুখী লড়াই হওয়ার সম্ভাবনাও দেখছেন অনেকেই। অন্যদিকে অনেকটা নীরবেই প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বামপন্থি ৯টি দলের জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা। এছাড়া বেশ কয়েকটি আসনে আলাদা দ্যুতি ছড়িয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। তাসনিম জারা ও রুমিন ফারহানাসহ কয়েকজন শুধু নিজ আসনেই নয়; তাদের নিয়ে নানা আলোচনা আছে সারা দেশে।

নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা যা বলছেন : নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা ফেমার প্রেসিডেন্ট মুনিরা খান যুগান্তরকে বলেন, শুধু ভোটাররাই নন, দেশের সব মানুষ অনেক আশা নিয়ে এই নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছেন। তারা অনেকদিন পর একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং ভালো নির্বাচন দেখতে চান। ফলে এখানে শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, রাজনৈতিক দল, ভোটার-সবার দায়িত্ব রয়েছে। ভালো নির্বাচনের জন্য সবার সদিচ্ছা থাকতে হবে। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ না করলে একটা ভালো নির্বাচন দিতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, পুরোনো কথা আমরা অনেক শুনেছি। আর পুরোনো কথা শুনতে চাই না। পরস্পরকে দোষারোপ না করে নিজেরা কী করব, সেটা জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিভেদ-বিদ্বেষ না বাড়িয়ে রাজনৈতিক দলগুলোরই বলা উচিত-আসুন আমরা সবাই একসঙ্গে বসি। একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, উৎসরমুখর ভালো নির্বাচন যেন হয়, সেইভাবে কাজ করি। আমরা তাদের কাজ থেকে এ অবস্থানই প্রত্যাশা করি।

প্রসঙ্গত, নির্বাচনে ইসির নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দল ভোটের মাঠে রয়েছে। এসব দলের ১ হাজার ৭৩২ জন প্রার্থীর পাশাপাশি স্বতন্ত্র ২৪৯ জন মিলে এবার ১ হাজার ৯৮১ প্রার্থী রয়েছেন লড়াইয়ে। এর মধ্যে বিএনপির ধানের শীষের ২৮৮, জামায়াতের দাঁড়িপাল্লাার ২২৪ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখার ২৫৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া জাতীয় পার্টির ১৯২, গণঅধিকার পরিষদের ৯০ এবং এনসিপির ৩২ জন প্রতিদ্বন্দ্বীও রয়েছেন নির্বাচনি মাঠে। আজ ষষ্ঠ দিনের প্রচারণায় থাকবেন প্রার্থীরা।