জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও রংপুর-৩ আসনের লাঙল প্রতীকের প্রার্থী জি এম কাদের বলেছেন, সরকার একটি বিশেষ দলকে নির্বাচনী সুযোগ-সুবিধা দিতে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে। যার ফলে এখন পর্যন্ত নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। বরং জাতীয় পার্টির প্রার্থীদের ভোটের মাঠে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এসব বিষয়ে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নির্বাক ভূমিকা পালন করছে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে রংপুর নগরীর স্কাইভিউ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ‘একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হতে হলে সব রাজনৈতিক দলকে সমান সুযোগ দিতে হবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে—একটি বিশেষ দলকে সুবিধা দিতে গিয়ে অন্য দলগুলোকে পরিকল্পিতভাবে চাপে রাখা হচ্ছে। এ অবস্থায় নির্বাচন কখনোই জনগণের কাছে বিশ্বাসযোগ্য হবে না।
জি এম কাদের বলেন, “এই গণভোট সংবিধানসম্মত নয়। যদি ‘হ্যাঁ’ ভোট পাস করানো হয়, তাহলে সংসদ আর সার্বভৌম ও স্বাধীন থাকবে না।
তিনি আরো বলেন, “দেশ বাঁচানোর জন্য যেকোনো মূল্যে ‘না’ ভোটকে পাস করাতে হবে। দেশের স্বার্থে ‘হ্যাঁ’ ভোট বয়কট করে জনগণকে ‘না’ ভোট দিতে হবে। এটি কোনো দলীয় বিষয় নয়, এটি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রশ্ন।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান দাবি করেন, এবারের নির্বাচনে জাতীয় পার্টির পক্ষে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরনের অদ্ভুতপূর্ব সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। মাঠের বাস্তবতা বলছে—মানুষ বিকল্প শক্তি হিসেবে জাতীয় পার্টির দিকেই তাকিয়ে আছে।
তিনি বলেন, ‘মানুষ বুঝে গেছে, দেশকে স্থিতিশীল রাখতে জাতীয় পার্টির বিকল্প নেই। আমরা ক্ষমতার জন্য নয়, দেশের জন্য রাজনীতি করি। জনগণের অধিকার ও ভোটের মর্যাদা রক্ষাই আমাদের মূল লক্ষ্য।’
এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য রংপুর মহানগর সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর জেলা আহ্বায়ক মো. আজমল হোসেন লেবু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও রংপুর জেলা সদস্যসচিব হাজী আব্দুর রাজ্জাক, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও রংপুর মহানগর সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. লোকমান হোসেন, রংপুর মহানগর সহসভাপতি হাসানুজ্জামান নাজিমসহ জাতীয় পার্টির জেলা ও মহানগরের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।