Image description

ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী হাফেজ এনায়েত উল্লাহকে বৃহস্পতিবার রাতে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের পাশাপাশি উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে দলটির কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিতে জামায়াতে ইসলামী বারবার দাবি জানিয়ে আসছিল। কিন্তু সরকার সেই দিকে কর্ণপাত করেনি।

 

তফসিল ঘোষণার ঠিক একদিন পরে আধিপাত্যবাদ বিরোধী জুলাই যোদ্ধা (ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী) শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হলেও সেই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আটক করে আজও বিচার নিশ্চিত না হওয়ায় সন্ত্রাসীরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও নির্বাচনের প্রার্থীদের টার্গেট করছে। দুটি শক্তি জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট বানচাল করতে গোপন আঁতাত করে ষড়যন্ত্র করছে।

আব্দুস সবুর ফকির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, একটি অবাধ সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ, বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহনমূলক নির্বাচনের জন্য অনতিবিলম্বে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করে যৌথ বাহিনী দিয়ে অভিযান চালিয়ে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় নিতে হবে। নতুবা জাতির প্রত্যাশিত নির্বাচন সম্পন্ন করা যাবে না।

সব দল ও প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ-সুবিধা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতের পাশাপাশি সব প্রার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো প্রহসনের নির্বাচন বা ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেকশন জাতি মেনে নেবে না, হতে দেবে না। জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন না ঘটলে আবারও জুলাই ফিরে আসতে পারে বলেও তিনি হুঁশিয়ার করেন।

হাফেজ এনায়েত উল্লাহ আমার দেশ কে বলেন, ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তার নির্বাচনি সমাবেশে আওয়ামী লীগের লোগো সম্বলিত গেঞ্জি পরা একজনসহ সন্দেহভাজন তিন জন ঘোরাঘুরি করছিল। পরে তার দেহরক্ষীরা সন্দেহভাজন তিন জনের মধ্যে দুইজনকে আটক করে। এসময় তাদের কাছে ধারালো অস্ত্র পাওয়া যায়। সন্দেহভাজন অপরজন পিস্তলসহ পালিয়ে যায়। আটক দুই জনকে তার দেহরক্ষীরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই চকবাজার থানার সামনে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী ও জামায়াত নেতাকর্মীরা।