Image description

লক্ষ্মীপুরের ভবানীগঞ্জে ফেস্টুন লাগানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। ‎ ‎বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের রিফুজি মার্কেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ‎ ‎আহতরা হলেন- ওই এলাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শাহাজান, ভবানীগঞ্জ ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের কর্মী ফিরোজ আলম, ছাত্রশিবিরে ওয়ার্ড সেক্রেটারি ইয়াসিন আরাফাত তাহসিন ও অর্থ সম্পাদক মো. সোহাগ হোসেন। ‎ ‎জামায়াতকর্মী ফিরোজ আলম বলেন, আমরা সকালে রিফিইজি মার্কেট এলাকায় ড. রেজাউল করিমের ফেস্টুন লাগানোর সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মী কাশেম মাঝি বাধা দেয়। একপর্যায়ে আমরা সেখান থেকে সরে গিয়ে বাজারে অন্য পাশে ফেস্টুন লাগানোর সময় কিছুক্ষণ পর পরিকল্পিতভাবে তারা আমাদের ওপর হামলা করে। স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে। ‎ ‎আহত বিএনপিকর্মী মো. শাহাজান বলেন, জামায়াতের লোকজন আমাদের বিএনপির অফিসে সামনে ফেস্টুন লাগাতে এলে আমি নিষেধ করি। কিন্তু তারা আমার ওপর হামলা করে আমাকে গুরুতর আহত করে। ‎ ‎বিএনপিকর্মী কামাল হোসেন বলেন, সকালে জামায়াতের লোকজন বিএনপির অফিসে সামনে ফেস্টুন লাগানো সময় বিএনপির কর্মী শাহাজান বাধা প্রদান করলে তারা হামলা করে। ‎ ভবানীগঞ্জ ‎ইউনিয়ন জামায়াতে সেক্রেটারি হাফেজ আব্দুল হক বলেন, বিগত সময়ে রিফিউজি মার্কেট এলাকায় এ শাহজাহান দুবার ড. রেজাউল করিমের পোস্টার ছিঁড়েছে। আজকে আমাদের লোকজনকে লাঠিসোঁটা দিয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় ও বাধা দেয়।

তিনি আরও বলেন, শাহাজান মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ। তাই এ ঘটনায় আমরা ক্ষমা চাচ্ছি। তবে কেউ উসকানি দিয়ে তাকে দিয়ে যদি এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকে আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ‎ ‎জেলা যুবদলের সভাপতি আব্দুল আলী হুমায়ুন বলেন, শাহজাহান মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন। ছোট্ট ঘটনাকে কেন্দ্র করে জামায়াতের লোকজন তাকে মেরে রক্তাক্ত করেছে।

ভবানীগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এস এম আজাদ বলেন, একটা মানসিক অসুস্থ লোককে জামায়াতের কর্মীরা মেরে রক্তাক্ত করেছে। এটা নিন্দনীয়। তবে এ ঘটনায় জামায়াতের কেউ কোনোভাবে আহত হয়নি। ‎ ‎লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।