পাকিস্তানের করাচির এম এ জিন্নাহ সড়কের একটি বহুতল শপিংমলে লাগা আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬০ জনে দাঁড়িয়েছে। সেখানের একটি বড় দোকান থেকে বুধবার (২১ জানুয়ারি) ৩০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। খবর জিও নিউজের
শহরটির ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এই ৩০ জন ব্যক্তি কাঁচের দোকানে নিজেদের তালাবদ্ধ করেছিলেন জীবন রক্ষার জন্য। তবে তারা কেউই বাঁচতে পারেননি।
দোকানটির মালিক সুলেমান জানিয়েছেন, তার দোকান থেকে ১৪টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। তার চাচাতো ভাই, কর্মচারী ও গ্রাহকরা দোকানের মধ্যে ছিলেন। আটকা অবস্থাতেই তাদের মৃত্যু হয়।
করাচির পুলিশ সার্জন ডা. সুমাইয়া সৈয়দ বলেছেন, দুইটি দোকান থেকে ২১টি দেহের অবশিষ্টাংশ সিভিল হাসপাতালে আনা হয়েছে। আমরা নিশ্চিত করতে পারি না এগুলো ২১টি দেহ কি আরও বেশি ব্যক্তির অবশিষ্টাংশ। আজ সকাল থেকে শুধু দেহের অবশিষ্টাংশই হাসপাতালে আনা হয়েছে।
করাচি কমিশনার সৈয়দ হাসান নকভি বলেন, তদন্তটি জটিল হয়ে গেছে। তিনি বলেন, গুল প্লাজা ঘটনায় কোনো একক প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা যাবে না।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখনও ৮৬ জন নিখোঁজ রয়েছে। যদিও ধ্বংসস্তূপ থেকে কিছু দেহ উদ্ধার করেছে উদ্ধারকারী দল। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) আগুন লাগা ওই ভবনে এখনও উদ্ধার ও অনুসন্ধান চলমান আছে।
অতিরিক্ত আইজি আযাদ খান জানান, ‘এখন পর্যন্ত গুল প্লাজা অগ্নিকাণ্ডে সন্ত্রাসবাদ সম্পর্কিত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’