Image description

চুয়াডাঙ্গা রেল স্টেশন সংলগ্ন ফার্ম পাড়া এলাকায় ট্রেনে কাটা পড়ে রবিউল ইসলাম (৩০) নামে এক বাদাম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। ঘটনার ১৫ ঘণ্টা পর সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। অভিযোগ উঠেছে, ঢাকা থেকে লাশ নিতে অনেক হয়রানির শিকার হন স্বজনরা। অবশেষে টাকা দিয়ে দালালের মাধ্যমে লাশ নিতে হয়েছে।

নিহত রবিউল ইসলাম কুষ্টিয়া জেলার পোড়াদা থানার বল্লবপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।

পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে পোড়াদহ থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী মহানন্দ ট্রেন চুয়াডাঙ্গার স্টেশনের অদূরে ফার্ম পাড়া নামক স্থানে পৌঁছাই। এ সময় বাদাম বিক্রেতা রবিউল ইসলাম চলন্ত ট্রেন থেকে নামতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপর স্থানীয় জনতা ও পুলিশ উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর তার অবস্থা অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন। চুয়াডাঙ্গা শহরের স্থানীয় কয়েকজন যুবকের উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সযোগে রাতে তাকে পঙ্গু হাসপাতাল নেয়া হয়। এরপর ওই রাতেই তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা বলেন, “ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ নেয়ার জন্য চেষ্টা করা হয়। এরপর শুরু হয় লাশ নিয়ে থানায় থানায় টানাহেচড়া। তারা জানান, লাশ নেয়ার জন্য একবার চুয়াডাঙ্গা থানায় আবার শাহবাগ থানায় তদবির শুরু করি। এতে কোনো কাজ হয় না। পরে রাতে টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে তার লাশ হেফাজতে নিই।”

আজ মঙ্গলবার দুপুরে গ্রামের বাড়িতে দাফন সম্পন্ন হবে বলো তারা জানান।

চুয়াডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান রবিউলের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত করেছে।

শীর্ষনিউজ