খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ক্যাম্পাসে বন্ধুদের সঙ্গে চা পানের সময় স্ট্রোক করে এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। ওই শিক্ষার্থীর নাম শিক্ষার্থী রেজওয়ানুল হক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী। গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ স্মৃতি হলের সামনের একটি দোকানে বন্ধুদের সঙ্গে চা পান করার সময় হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্টার তাকে মৃত ঘোষণা করে। মেধাবী এই শিক্ষার্থীর এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো ক্যাম্পাসজুড়ে এখন শোকের স্তব্ধতা বিরাজ করছে।
সহপাঠীরা জানান, চায়ের আড্ডায় হাসিখুশি থাকা অবস্থায় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে রেজওয়ানুলকে দ্রুত নিকটস্থ আদ-দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, স্ট্রোক বা হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়েই তার প্রাণহানি ঘটেছে। দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা রেজওয়ানুলের এমন অকাল বিদায়ে তার পরিবার ও বন্ধুদের মাঝে চলছে শোকের মাতম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতেও শোক প্রকাশ করছেন সাধারণ শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে শিক্ষকরা।
রেজওয়ানুলের স্মরণে আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কুয়েট প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে দেওয়া এক শোকবার্তায় তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। আজ কুয়েট কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজার নামাজ শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।