Image description

আলোচিত চোরাচালানের চিনি ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কৃত সিলেট বিএনপির নেতা মো. সোলেমান হোসেন সুমনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এর মাধ্যমে দীর্ঘ সময় পর তিনি আবারও দলীয় রাজনীতিতে ফিরলেন।

আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সোলেমান হোসেন সুমনের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের বিষয়টি জানানো হয়। একই বিজ্ঞপ্তিতে আরও সাতজন নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের কথাও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নেতাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এবং দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রাথমিক সদস্য পদও পুনর্বহাল করা হয়েছে।

জানা যায়, মো. সোলেমান হোসেন সুমন সিলেট মহানগর বিএনপির ২৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এর আগে ২০২৪ সালে সিলেটের ওসমানী নগর উপজেলায় চোরাচালানের চিনি বহনকারী একটি ট্রাক ছিনতাই চেষ্টার ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বালুবাহী ট্রাকের আড়ালে চিনি পাচার করা হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

ঘটনার রাতে উপজেলার সাদিপুর সেতুর উত্তরপাড় ইব্রাহীমপুর এলাকা থেকে সুমনসহ ছয়জনকে আটক করা হয়। পরদিন ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সিলেট মহানগর বিএনপি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সুমনসহ বিএনপির দুই নেতাকে বহিষ্কার করে। পরে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে তাকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে একই বছরে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। দলীয়ভাবে নেতাকর্মীদের নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার জন্য কঠোর নির্দেশনাও দেওয়া হয়। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হারুনুর রশিদকে বহিষ্কার করা হয়। একই অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপির আরও বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীকেও দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। তবে সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে হারুনুর রশিদের বহিষ্কারাদেশও প্রত্যাহার করা হয়।